• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

নেছারাবাদে মোটরসাইকেল চালক হত্যা: যুবকের যাবজ্জীবন, মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ / ১৪১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

পিরোজপুরে নেছারাবাদ মোটরসাইকেল কেনাবেচার লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে এক চালককে হত্যার পর মৃতদেহ গুম করার অপরাধে এক যুবকের যাবজ্জীবন ও তার মায়ের সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত মা উপস্থিত থাকলেও ছেলে পলাতক রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন জেলার নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. তাজিম (২৮) ও স্ত্রী মোসা. রেহানা বেগম (৫০)।

আদালত সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল চালক মিলন বাহাদুরকে হত্যার দায়ে তাজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে, মৃতদেহ গুম করার অপরাধে তাজিমের মা রেহানা বেগমকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মোটরসাইকেল কেনাবেচার লেনদেন নিয়ে তাজিম ও মিলনের মধ্যে বিরোধ ছিল। এর জেরে ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মিলনসহ তার মোটরসাইকেলটি ভাড়া নেন তাজিম ও অপর এক যুবক। রাতেও মিলন বাড়ি না ফেরায় তার পরিবার বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে। এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে ১২ ফেব্রুয়ারি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নিহত মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি তাজিমের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মিলনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মূলত মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগিতায় মৃতদেহটি গুম করেছিলেন।

এ ঘটনার পর নিহত মিলনের বাবা শাহাদাত বাহাদুর পাঁচজনকে আসামি করে ওই দিনই নেছারাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার সময় বিচারক অন্য দুই অভিযুক্তকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিরোজপুরের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আকন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/