• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন : / ৫০ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ২ নম্বর মধুহাটি ইউনিয়নের চান্দুয়ালী গ্রামে বাজার গোপালপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটক করা হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনাকে ঘিরে পুলিশের বক্তব্যে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজার গোপালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা চান্দুয়ালী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় ফাঁড়ির এএসআই কামরুজ্জামান সহ সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিককে জানান, সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি মাদক সেবন করছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৪-৫ জন পালিয়ে গেলেও কোরবান নামে একজনকে আটক করা হয়। তিনি মহামিয়া গ্রামের আজিবারের ছেলে বলে পুলিশ জানায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক অভিযানের ভিডিও ধারণ করেন। পরে বাসায় ফেরার পর এএসআই কামরুজ্জামান ফোন করে জানান, আটক ব্যক্তি কোনো ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি নন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। এ কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে এ ঘটনায় নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয় অভিযানের সময় ধারণ করা ভিডিও। ভিডিওতে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, আটক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করেছেন এবং এতে একজন কনস্টেবলের হাত কেটে গেছে।

এ বিষয়ে পরে এএসআই কামরুজ্জামানকে ফোন কলের মাধ্যমে প্রশ্ন করা হলে তিনি দাবি করেন, আমরা পাশের রুম থেকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে তাদের হাতে দিয়েছিলাম, এজন্যই তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি।

এএসআইয়ের এমন বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—যদি সত্যিই পুলিশের পক্ষ থেকে আটক ব্যক্তির হাতে অস্ত্র দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে কীভাবে এবং কেন এমনটি করা হলো? আবার যদি আটক ব্যক্তি পুলিশের ওপর হামলা করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ কী? ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি জানান, তার ভাবি মারা গেছেন এবং সে কারণে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন।

ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/