• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ মো মানিক হোসেন : / ১২৭ Time View
Update : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীদের লাগেজ পারাপারকে কেন্দ্র করে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে কর্মরত কয়েকজন আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, চুক্তির বিনিময়ে যাত্রীদের লাগেজ স্ক্যান ছাড়াই পার করার সুযোগ দিচ্ছেন এসব সদস্য।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আনসার সদস্যরা হলেন — সাধন, সুমন, কৃষ্ণ, নাজির ও জাকিরুল। যাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, এদের মধ্যে সুমন ও সাধন কাস্টমসের স্ক্যানিং মেশিনের সামনে অবস্থান নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি আর্থিক চুক্তিতে ল্যাগেজ পার করছেন। অপরদিকে কৃষ্ণ, নাজির ও জাকিরুল চুক্তিভিত্তিক লাগেজগুলো পোর্টের ভিতর থেকে বের করে এনে বিজিবি টেবিল অতিক্রম করিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পি.সি.) সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দায়িত্ব এড়িয়ে যান। তিনি কেবল বলেন, “এই ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। এখন তো তেমন মালামাল আসে না, যখন বেশি আসে তখন তারা হয়তো টাকা নিয়ে ল্যাগেজ পার করায় জড়িত থাকতে পারে ,সবার তো টাকার দরকার আছে !” — তার এমন মন্তব্যে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ঘ্রাণ স্পষ্ট।

তবে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, কাস্টমসে কর্মরত প্রত্যেক আনসার সদস্যকে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ‘উপর মহলে ভাগ’ হিসেবে পিসি সাজ্জাদ হোসেনকে দিতে হয়। অনেকেই মনে করছেন, নিচতলার আনসার সদস্যদের এই ঘুষ বাণিজ্যের পেছনে রয়েছে সাজ্জাদ হোসেনের নীরব সম্মতি ও অংশীদারিত্ব। অর্থাৎ, শুধু ‘অবহেলা’ নয়, বরং ‘পরিচালনাকারী’ হিসেবে পিসির ভূমিকা নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে, যা কাস্টমস নিরাপত্তার প্রতি চরম হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফলে সরকারি রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে যথাযথ তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/