• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

নেছারাবাদে হাজার কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতির পরিচালক

মোঃ শামীম হোসাইন / ১৪৭ Time View
Update : রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫

পিরোজপুরের নেছারাবাদে আরামকাঠি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির পরিচালক মো. রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে পাঁচ হাজারেরও অধিক গ্রাহকের হাজার কোটি টাকার আমানত নিয়ে লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিচালকসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে নেছারাবাদ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

সকালে গিয়ে দেখা গেছে, পরিচালকের পালিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শনিবার মধ্যরাত থেকে সমিতির পরিচালকের পূর্ব জলাবাড়ি গ্রামের একটি প্রজেক্টে লুটপাট চলছে। গ্রাহক পরিচয়ে স্থানীয় অনেকে প্রজেক্ট থেকে ৪২টি গরু, ৮টি ভেড়া ও গরুর ফার্মের চালের টিন নিয়ে গেছেন। স্থানীয় কেউ কেউ প্রজেক্টের আম বাগানের আম বস্তা ভরে নিচ্ছেন। টিউবয়েল, ফার্নিচার, ধান ভাঙার মেশিন, নারকেল যে যা পাচ্ছে নিয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, পরিচালক রহমত উল্লাহ লাপাত্তার খবরটি জানতে পেরে সমিতির পরিচালকের আরামকাঠি গ্রামের বাড়িতে বিক্ষোভ করছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা সমিতির পরিচালককে না পেয়ে সমবায় সমিতির ম্যানেজার, মাঠকর্মী, তার একান্ত সহযোগীসহ মোট সাতজনকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় গ্রাহকদের হাতে আটক সাতজনকে উদ্ধার করে।

স্থানীয় শৈশব নামে এক ব্যক্তি রহমত উল্লাহর সমিতির গ্রাহক পরিচয়ে গরুর ফার্মের টিন ছুটিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দুই লাখ টাকা পাব। তাই টিন খুলে নিচ্ছি। স্থানীয় বিটুল নামে অপর একজন একইভাবে রহমত উল্লার গরুর ফার্মের টিন খুলছিলেন। তিনি বলেন, আমি সমিতিতে ৫০ হাজার টাকা পাব। তাই এসব নিয়ে যাচ্ছি।

নেছারাবাদ উপজেলার সমবায় কর্মকর্তা মো. হাসান রকি বলেন, তার সমিতির লাইসেন্স বরিশাল বিভাগ থেকে করা। তারা আমাদের আইন না মেনে চলত। শুনেছি এখন নাকি রহমত পালিয়েছে। পলাতক পরিচালকসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

নেছারাবাদ থানার ওসি মো. বনি আমিন বলেন, বিষয়টি শুনে রাতেই পুলিশ পাঠিয়ে সমিতির ম্যানেজার ও মাঠকর্মীসহ সাতজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। সমিতির সভাপতিসহ মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা আইনে মামলার দায়ের করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/