• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পিলখানা হত্যাকাণ্ড : ১৭৮ বিডিআর জোয়ানের কারামুক্তিতে বাধা নেই

Reporter Name / ২০৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৫

বাংলার দূত প্রতিবেদক : পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কারাগারে আটক ১৭৮ বিডিআর জোয়ানের কারামুক্তিতে বাধা নেই।

এর আগে গত রোববার হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালত থেকে খালাস প্রাপ্তরা বিস্ফোরক আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন। কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর অস্থায়ী আদালতে ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

আজ রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালত থেকে খালাস প্রাপ্ত ১৭৮ জন বিস্ফোরক আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকলে মুক্তিতে বাধা নেই।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। সে ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। তাতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন। ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাইকোর্টে। তাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে। আরো ২২৮ জনকে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা, খালাস পান ২৮৩ জন। হাইকোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন।

অন্যদিকে, হাইকোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়। ২০১০ সালে বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ আসামির বিরুদ্ধে বিচার কাজও শুরু হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি উঠছে। গত ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান শহিদ পরিবারের সদস্যরা।

এই হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্তের জন্য গত ২৪ ডিসেম্বর আ ল ম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে কমিশন গঠন করে ৯০ দিনের সময় বেধে দিয়েছে সরকার।
বাংলার দূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/