• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা বিভাগে মোট ভর্তি ১১৯

খান মোঃ আতিকুর রহমান / ১৯৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪

খান মোঃ আতিকুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টারঃ
বৃষ্টির ফলে আমাদের চারপাশে পরে থাকা বিভিন্ন পাত্র, ডাবের খোসা, পিলিথিন ও পানি ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন অপ্রয়োজনীয় পড়ে থাকা বস্তুর ভিতর পানি জমে সহজেই ও অতিমাত্রায় বংশবিস্তার করছে এই ডেঙ্গুর জীবানু। আমাদের অসাবধানতা, অসচেতনতা ও বে-খেয়ালের ফলই হচ্ছে ডেঙ্গু বিস্তারের অন্যতম কারন। আমরা আমাদের ব্যবহারের অনুপযোগী ও অব্যবহৃত যে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় বস্তু যেমন, দই এর মালসা, বিভিন্ন মোটা পলিব্যাগ বা প্যাকেট, ভেংগে যাওয়া বাটি, হাড়ি, কলস ইত্যাদি সহ যেকোনো পানি ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন বস্তুকে বাহিরে ফেলে দেই এবং এর ভেতর বৃষ্টির পানি জমে সহজেই বংশ বিস্তার করছে ডেঙ্গু। এছাড়া ও রয়েছে ফ্রিজে জমা পানি ও আমাদের শোভা বর্ধনে ব্যবহৃত ফুলের টবে জমা পানি। সতর্কতা ও জন-সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূল হাতিয়ার।

পরিচালক স্বাস্থ্য এর দপ্তর, খুলনা, বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ মোঃ মনজুরুল মুরশিদ কর্তৃক প্রাপ্ত এক রিপোর্টে জানাযায়, বিগত ২৪ ঘন্টায় খুলনা সদরে ৩০, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯, সাতক্ষীরা সদর ৩, সাতক্ষীরা মেঃ কঃ হাঃ ২, যশোর ১৩, ঝিনাইদহ ২১, মাগুরা ৩, নড়াইল ১৪, কুষ্টিয়া ১৭, চুয়াডাঙ্গা ২ ও মেহেরপুর ৫ জন সর্বমোট ১১৯ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য এই সমস্ত জেলা সরকারী হাসপাতালে ভার্তি হয়। তবে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এবছরে খুলনা বিভাগে সর্বমোট আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা খুলনা সদরে ৬৯১, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ২৮০, বাগেরহাট ৪৬, সাতক্ষীরা সদর ৫৪, সাতক্ষীরা মেঃ কঃ হাঃ ২৮০, যশোর ৪৭৩, ঝিনাইদহ ১৫৭, মাগুরা ৮৬, নড়াইল ২৫২, কুষ্টিয়া ২৫৮, চুয়াডাংগা ১৩ ও মেহেরপুর ৩১২ জন সর্বমোট ২৬৭৯ জন। এর ভেতরে সুস্থ্য ২৩৫৮ জন, মৃত্যু রোগীর সংখ্যা ১১ জন ও বর্তমানে বিভিন্ন জেলার সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ২৭৪ জন।

তবে খুলনা বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য এর তথ্য মতে বিগত তিন দিন ধরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলেছে। চলতি মাসের ১ তারিখে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা সরকারী হাসপাতালে মোট নতুন ভর্তিকৃত ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা ছিলো ৮১, ২ তারিখে নতুন ভর্তি হয় ৯২ জন যা ৩ তারিখ অর্থাৎ আজ এসে দাড়িয়েছে ১১৯ জনে। এই তিনদিনে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/