• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাস্তা বিতরণে বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

মো. শামীম হোসাইন / ৬৯ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য নাস্তা বিতরণ কার্যক্রম চালু হওয়ার পর বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসত না, তাদের অনেকেই এখন প্রতিদিন স্কুলে উপস্থিত হচ্ছে। এতে শ্রেণিকক্ষগুলো আবারও প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠেছে।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, নাস্তা বিতরণ কর্মসূচি চালুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে অনেক শিশু খালি পেটে স্কুলে আসত অথবা না খেয়ে থাকার কারণে মাঝপথে বাড়ি ফিরে যেত। এখন বিদ্যালয়ে পুষ্টিকর নাস্তা পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকায় তারা সময়মতো স্কুলে আসছে এবং পুরো ক্লাসে অংশ নিচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক ফিরোজ রব্বানী জানান, শুধু উপস্থিতিই নয়, শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগ, শ্রেণিকক্ষের অংশগ্রহণ এবং সহপাঠ্য কার্যক্রমে আগ্রহও আগের তুলনায় বেড়েছে। ক্ষুধামুক্ত অবস্থায় পাঠ গ্রহণ করায় তারা পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হচ্ছে এবং শেখার সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নয়ন হোসেন বলে, “আগে মাঝে মাঝে স্কুলে আসতাম। এখন নাস্তা পাওয়ায় প্রতিদিন আসার চেষ্টা করি।”

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া আক্তার বলে, “আগে অনেক সময় না খেয়েই স্কুলে আসতাম। এখন স্কুলে নাস্তা পাই, তাই প্রতিদিন সময়মতো আসতে ভালো লাগে।”

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোঃ ইমরান হোসেন বলে, “আমার অনেক বন্ধুও এখন নিয়মিত স্কুলে আসে। সবাই একসঙ্গে নাস্তা খেয়ে ক্লাস করি।”

অভিভাবক পুনিল দাস জানান, নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য এই কর্মসূচি একটি বড় সহায়তা। এতে সন্তানদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠাতে তারা আরও উৎসাহিত হচ্ছেন। অনেক পরিবারে সকালের খাবারের ব্যবস্থা সব সময় সম্ভব না হলেও বিদ্যালয়ের নাস্তা শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান মতে, বিদ্যালয়ভিত্তিক পুষ্টিকর নাস্তা কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, ঝরে পড়ার হার কমানো এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এই কার্যক্রম নিয়মিত ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/