সুমন আহমেদ, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে গরু ও মাছের খামারি আব্দুল হান্নানকে প্রাণনাশের হুমকি এবং তাঁর স্বজনদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ছয় যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে নবীনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযুক্তরা হলেন: ইমন, মহিদুল, জাবেদ, অভি দাস, বায়জিদ ও পলাশ।
গত ৩১ অক্টোবর (শনিবার) আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেন।
অভিযোগে আব্দুল হান্নান উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা তাঁকে গরুর খামার ও মাছের প্রকল্প পরিচালনা করতে বাধা দিচ্ছেন এবং খামার ও প্রকল্প চালু রাখলে ক্ষতি করার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানানোর পরদিন গোপালপুর দাসপাড়া ব্রিজের ওপর তাঁর ভাই ও চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে অভিযুক্তদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁদের গালিগালাজ করে লাঠি দিয়ে মারধর এবং কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আহত দুজন বর্তমানে নবীনগর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে সরেজমিনে গোপালপুর গ্রামে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এলাকায় বিভিন্ন সময়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে কয়েকজন বাসিন্দা তাঁদের বাড়ি থেকে কলা, আসবাবপত্র এবং মাছের প্রকল্প থেকে মাছ চুরির ঘটনার কথাও তুলে ধরেন। এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ রয়েছে বলে জানান তাঁরা।
তবে অভিযুক্ত মহিদুলের বাবা জহিরুল ইসলাম মারামারির ঘটনা স্বীকার করে বলেন, ‘আমার ছেলের বয়স ১৮ বছর, সে এখনো ছোট। খামারের ভেতর থেকে কলা চুরি যাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত মীমাংসার চেষ্টা করছি।’
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
https://slotbet.online/