আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন: ঝিনাইদহে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় উচ্চ ফলনশীল নতুন জাতের ব্রি ধান ১০৩-এর নমুনা শস্য কর্তন ও ফলন যাচাই করা হয়েছে। এতে হেক্টরপ্রতি ৭ দশমিক ৪ মেট্রিক টন, সহজ ভাষায় ৩৩ শতাংশে ২৫ মন ফলন পাওয়া গেছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের হলিধানী মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে নমুনা শস্য কর্তনের মাধ্যমে এ ফলন যাচাই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আনিসুজ্জামান খান। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিউদ্দিন উদ্দীন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হেনা রাণী, স্থানীয় কৃষক আব্দুর রহিমসহ এলাকার অন্যান্য কৃষক।
ফলন যাচাই সম্পর্কে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ব্রি ধান ১০৩ একটি উচ্চ ফলনশীল জাত। প্রচলিত অন্যান্য জাতের তুলনায় আমন মৌসুমে এ জাতের ধানে বেশি ফলন পাওয়া যায়। সঠিক ফলন নির্ধারণের জন্য বৃত্তাকার পদ্ধতিতে এক শতক জমির ধান কেটে পরিমাপ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উচ্চ ফলনশীল এ জাতের ধান চাষের মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি বিভাগের উদ্যোগে নমুনা শস্য কর্তন ও ফলন যাচাই কার্যক্রম স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন জাতের ধান চাষে আগ্রহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
https://slotbet.online/