• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

বরমীতে চলছে করাত কল, প্রশাসনের চোখ বন্ধ, মুখ খুলছেন না কর্মকর্তা 

নিজস্ব প্রতিবেদক  / ১৬৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০২৪

শ্রীপুর উপজেলার বরমীতে লাইসেন্স বিহীন চলছে করাত কল, প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না।

 

নেই কোন কাগজপত্র, প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন না মিল মালিক পক্ষের কোন লোক।

 

তৈরি করেছেন স’মিল মালিক সমিতি। যার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে উপর মহল?

 

শ্রীপুর ফরেস্ট রেঞ্জার মোকলেছুর রহমানের সাথে কথা বলে জানা যায় বরমীতে মোট উনিশটি করাত কল আছে। তাদের কোন মিলের লাইসেন্স নেই, নেই কোন কাগজপত্র। এরমধ্যে ১৪ টি মিলের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হলেও মিলগুলো চলমান আছে, কিছু মিলের যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে আসলেও, মিল মালিকগন প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে, নতুন যন্ত্রাংশ কিনে মিল পুনরায় চালু করেছে বলে জানা যায়। ফরেস্ট রেঞ্জার বলেন সে আর কোন তথ্য দিতে পারবে না, উপর মহল তার মুখ তালাবদ্ধ করে রেখেছে।

 

২০১২ সনের ২৭ মে রবিবার এর আইন অনুযায়ী

লাইসেন্স বিহীন করাত কল, পরিচালনার বিধিমালা আমলে নিচ্ছেন না কেউ।

 

কথিত মিল মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ারের কাছে, গনমাধ্যম কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে অন্যত্র পালিয়ে চলে যায়।

এমনি কথিত মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলনকে মোবাইলে কল দিলে সে জানায় আপনারা যা পারেন করে দেখান, আমরা সব যায়গা ম্যানেজ করেই মিল চালাচ্ছি।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়

অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে আবদ্ধ সমস্ত, স’মিল বাণিজ্যিক স্থাপনা

ভড়হর মারুলিয়া পাড়ায় একি স্থানে, পাশাপাশি চারটি করাত কল থাকলেও তিনটি চলমান।

অপরটি তথ্য নিয়ে জানা যায় কোন এক মহলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এ বিষয়েও ফরেস্ট রেঞ্জার মোকলেছুর রহমান মুখ খুলতে রাজি না।

 

এলাকাবাসী আরো জানায় বন বিভাগের অগোচরে,

কেটে নিয়ে যাচ্ছে গাছ।

এমনকি শাল কাট কাটা হচ্ছে রাতের আঁধারে, দিনের বেলাতেও তার সত্যতা মিলেছে জ্বালানির উপর ভিত্তি করে।

 

বন বিভাগের পারমিশন, টিবি, কাগজ ছাড়াই চলছে এলাকার কাঠ বাণিজ্য।

বড় ধরনের একটা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বন বিভাগ থেকে রাজস্ব।

তথ্য সংগ্রহ চলমান…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/