• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ,বসতবাড়ি ও দোকানপাটে অগ্নি সংযোগ

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলার দুই গ্রামের দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলেও তা উপেক্ষা করে আজ ৫ জুন (শুক্রবার) সকালে অন্তত তিনটি বাড়িতে অগ্নি সংযোগ ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকায় নতুন করে সহিংসতার আশঙ্কায় নলীন বাজার, গোলপেঁচা ও জগৎপুরা এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দুই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা গেছে, একটি দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে গত ২২ এপ্রিল গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা ও ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সেই ঘটনার জের ধরে গতকাল ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেলে আবারও দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন কালাম তালুকদারসহ বেশ কয়েকজন। পরে তাদের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কালাম তালুকদারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষে অন্তত ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। রাতের বেলায় মাইকিং করে দ্বিতীয় দফায় হামলার ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় মধ্যরাতের পর গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান জানান, প্রথমে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলেও তা এখন একাধিক গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৪৪ ধারা জারির পরও অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/