• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

সখীপুরে বড়চওনা বাজার, মসজিদ, হাসপাতাল এবং পুকুরের জমি ভূমি দস্যুদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য প্রতিবাদ ও মানববন্ধন চলছে

মোর্শেদ খান / ২০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমির দাগ খতিয়ান ও প্রকৃত মালিকের নাম পরিবর্তন করে ২ একর ৮০ শতাংশ জমি জালিয়াতি করার অভিযোগ উঠেছে আবদুল মান্নান নামের এক ব্যক্তির নামে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বড়চওনা বাজার এলাকায়। ওই জমির প্রকৃত মালিকের নাম নদীরাম কোচের ছেলে বোচা কোচ। ওই জমিতে স্থাপনা রয়েছে বড়চওনা বাজার জামে মসজিদ, বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, পুকুর, বড়চওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিট গোডাউন ও ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র।

এই ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে বড়চওনা বাজার মসজিদের মুসল্লি, বাজার ব্যবসায়ী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের বড়চওনা চৌরাস্তা মোড়ে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সরকার লাল, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সবুর রেজা, ইউপি সদস্য আশরাফ হোসেন, মিজানুর রহমান, আবদুল মজিদ প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, জালিয়াতি করে নিজের নামে রেকর্ড ভুক্ত মালিক দাবি করা আবদুল মান্নানের বাড়ি উপজেলার চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামে। ওই আবদুল মান্নান সম্প্রতি ঢাকার ভূমি রেকর্ড অফিসে 

রেকর্ড অফিসার ও টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসককে বিবাদী করে মামলা করেছে। মামলার কারণ উল্লেখ করা হয়, জরিপের সময় ভুলক্রমে বর্তমান রেকর্ডে জমির মালিক হিসেবে তার নামটি অন্তর্ভুক্ত হয়নি। কিন্তু এগুলো পুরোটাই মিথ্যা ও বানোয়াট। আবদুল মান্নান সত্য গোপন করে কাগজপত্র জালিয়াতি করে এই মামলার নাটক সাজিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বড়চওনা বাজার জামে মসজিদ, বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, পুকুর, বড়চওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিট গোডাউন ও ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র রয়েছে। বড়চওনা বাসীর সার্থে আমরা সকলেই ঐক্যবদ্ধ।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বড়চওনা মৌজার জমিটির বর্তমান এসএ খতিয়ান ২৬৪ দাগ নং ১১/১২ প্রকৃত মালিকের নাম নদীরাম কোচের ছেলে বোচা কোচ।

এই জমির খতিয়ান ২৬৪ ঠিক রেখে দাগ নাম্বার ১১/১২ পরিবর্তে ৪৮/৩২৯ এবং বোচা কোচের স্থলে আবদুল মান্নান বসানো হয়েছে। 

আরও জানা যায়, ৪৮/৩২৯ এই দাগে বড়চওনা বাজার জামে মসজিদ, বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, পুকুর, বড়চওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিট গোডাউন, ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র রয়েছে৷ 

অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের বক্তব্য জানতে চাইলে বলেন, আমি কোন ব্যক্তির নামে মামলা করিনি, আমি জেলা প্রশাসক ও বন বিভাগের নামে মামলা করেছি। আমি যদি আইনিভাবে জমি পাই পাবো, আর না পেলে কোন দাবি নেই৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/