• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সখীপুরে বড়চওনা বাজার, মসজিদ, হাসপাতাল এবং পুকুরের জমি ভূমি দস্যুদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য প্রতিবাদ ও মানববন্ধন চলছে

মোর্শেদ খান / ৫৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমির দাগ খতিয়ান ও প্রকৃত মালিকের নাম পরিবর্তন করে ২ একর ৮০ শতাংশ জমি জালিয়াতি করার অভিযোগ উঠেছে আবদুল মান্নান নামের এক ব্যক্তির নামে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বড়চওনা বাজার এলাকায়। ওই জমির প্রকৃত মালিকের নাম নদীরাম কোচের ছেলে বোচা কোচ। ওই জমিতে স্থাপনা রয়েছে বড়চওনা বাজার জামে মসজিদ, বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, পুকুর, বড়চওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিট গোডাউন ও ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র।

এই ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে বড়চওনা বাজার মসজিদের মুসল্লি, বাজার ব্যবসায়ী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের বড়চওনা চৌরাস্তা মোড়ে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম সরকার লাল, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সবুর রেজা, ইউপি সদস্য আশরাফ হোসেন, মিজানুর রহমান, আবদুল মজিদ প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, জালিয়াতি করে নিজের নামে রেকর্ড ভুক্ত মালিক দাবি করা আবদুল মান্নানের বাড়ি উপজেলার চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামে। ওই আবদুল মান্নান সম্প্রতি ঢাকার ভূমি রেকর্ড অফিসে 

রেকর্ড অফিসার ও টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসককে বিবাদী করে মামলা করেছে। মামলার কারণ উল্লেখ করা হয়, জরিপের সময় ভুলক্রমে বর্তমান রেকর্ডে জমির মালিক হিসেবে তার নামটি অন্তর্ভুক্ত হয়নি। কিন্তু এগুলো পুরোটাই মিথ্যা ও বানোয়াট। আবদুল মান্নান সত্য গোপন করে কাগজপত্র জালিয়াতি করে এই মামলার নাটক সাজিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বড়চওনা বাজার জামে মসজিদ, বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, পুকুর, বড়চওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিট গোডাউন ও ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র রয়েছে। বড়চওনা বাসীর সার্থে আমরা সকলেই ঐক্যবদ্ধ।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বড়চওনা মৌজার জমিটির বর্তমান এসএ খতিয়ান ২৬৪ দাগ নং ১১/১২ প্রকৃত মালিকের নাম নদীরাম কোচের ছেলে বোচা কোচ।

এই জমির খতিয়ান ২৬৪ ঠিক রেখে দাগ নাম্বার ১১/১২ পরিবর্তে ৪৮/৩২৯ এবং বোচা কোচের স্থলে আবদুল মান্নান বসানো হয়েছে। 

আরও জানা যায়, ৪৮/৩২৯ এই দাগে বড়চওনা বাজার জামে মসজিদ, বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, পুকুর, বড়চওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিট গোডাউন, ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র রয়েছে৷ 

অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের বক্তব্য জানতে চাইলে বলেন, আমি কোন ব্যক্তির নামে মামলা করিনি, আমি জেলা প্রশাসক ও বন বিভাগের নামে মামলা করেছি। আমি যদি আইনিভাবে জমি পাই পাবো, আর না পেলে কোন দাবি নেই৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/