• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

৫০ হাজার টাকায় নবজাতক বিক্রি, পরে অপহরণের নাটক-দেবিদ্বারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

মোহাম্মদ উল্লাহ ভূইয়া (সোহাগ) / ৬৭ Time View
Update : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

মোহাম্মদ উল্লাহ ভূইয়া (সোহাগ) :
মাত্র ৫০ হাজার টাকায়, তাও বাকিতে, নিজের ২৭ দিনের কন্যাশিশুকে বিক্রি করে পরে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দেবিদ্বার-এ। তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অসুস্থতার কথা বলে শিশুকে উপজেলা সদরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান মা আকলিমা বেগম। পরে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ৫০ হাজার টাকায় শিশুটিকে দত্তক দেন বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, টাকাও তখন দেওয়া হয়নি।
এরপর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে তিনি বুড়িচং উপজেলার সাবের বাজার এলাকায় গিয়ে সড়কের পাশে অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তিনি সন্তান খোঁজার কথা বলেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি অপহরণ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, শিশুটিকে স্বেচ্ছায় দত্তক দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ৩৫ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাতে দত্তক নেওয়া দম্পতি আবু সাঈদ ও তাঁর স্ত্রী ঢাকায় থেকে এসে পুলিশের মাধ্যমে শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।
অভিযুক্ত মা আকলিমা বেগম বলেন, তিনি ভুল করেছেন এবং সকলের কাছে ক্ষমা চান। তাঁর দাবি, হাসপাতালের এক নার্স শিশুটির ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বলে তাকে প্ররোচিত করেন। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আলাদা করে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
শিশুটির বাবা মো. কামাল হোসেন বলেন, তিনি দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান এবং কখনোই মেয়েকে বিক্রি করার কথা ভাবেননি। তাঁর ভাষায়, বড় অঙ্কের টাকাও দিলে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতেন না।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, শুরু থেকেই বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়েছিল। তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর দম্পতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা শিশুকে ফিরিয়ে দেন। সবার উপস্থিতিতে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/