• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৫০ হাজার টাকায় নবজাতক বিক্রি, পরে অপহরণের নাটক-দেবিদ্বারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

মোহাম্মদ উল্লাহ ভূইয়া (সোহাগ) / ১২০ Time View
Update : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

মোহাম্মদ উল্লাহ ভূইয়া (সোহাগ) :
মাত্র ৫০ হাজার টাকায়, তাও বাকিতে, নিজের ২৭ দিনের কন্যাশিশুকে বিক্রি করে পরে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দেবিদ্বার-এ। তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অসুস্থতার কথা বলে শিশুকে উপজেলা সদরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান মা আকলিমা বেগম। পরে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ৫০ হাজার টাকায় শিশুটিকে দত্তক দেন বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, টাকাও তখন দেওয়া হয়নি।
এরপর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে তিনি বুড়িচং উপজেলার সাবের বাজার এলাকায় গিয়ে সড়কের পাশে অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তিনি সন্তান খোঁজার কথা বলেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি অপহরণ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, শিশুটিকে স্বেচ্ছায় দত্তক দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ৩৫ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাতে দত্তক নেওয়া দম্পতি আবু সাঈদ ও তাঁর স্ত্রী ঢাকায় থেকে এসে পুলিশের মাধ্যমে শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।
অভিযুক্ত মা আকলিমা বেগম বলেন, তিনি ভুল করেছেন এবং সকলের কাছে ক্ষমা চান। তাঁর দাবি, হাসপাতালের এক নার্স শিশুটির ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বলে তাকে প্ররোচিত করেন। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আলাদা করে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
শিশুটির বাবা মো. কামাল হোসেন বলেন, তিনি দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান এবং কখনোই মেয়েকে বিক্রি করার কথা ভাবেননি। তাঁর ভাষায়, বড় অঙ্কের টাকাও দিলে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতেন না।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, শুরু থেকেই বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়েছিল। তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর দম্পতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা শিশুকে ফিরিয়ে দেন। সবার উপস্থিতিতে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/