• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পানগুছি নদী পারাপার

রাজিব হোসেন, শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি / ৭১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

বাগেরহাটের সাইনবোর্ড-শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ অংশে খরস্রোতা পানগুছি নদীতে সেতু না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত ছোট ট্রলারে পারাপার হচ্ছেন লক্ষাধিক মানুষ। মোংলা-ঘষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ-চ্যানেলের অংশ এই নদীতে একটি মাত্র সেতুর অভাবে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
প্রতিদিন মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, রামপাল, মোংলা, মঠবাড়িয়া ও ভান্ডারিয়া উপজেলার প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে এই নদী পার হতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই রুটে সেতু নির্মাণের দাবি উঠলেও তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রলার মালিকদের উদাসীনতা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত ১০ বছরে এই নদীতে অর্ধশতাধিক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ ৮০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে, যেখানে ১৯ জন যাত্রী নিহত হয়।।
ভুক্তভোগীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় নদী পারাপার আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। ছোট ট্রলারগুলো ঢেউয়ের তোড়ে টালমাটাল করে, যা দেখে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন।
বাগেরহাট সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, জনগুরুত্বপূর্ণ পানগুছি সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি ২০২১ সালের একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে এবং ২০২১-২০২২ অর্থবছরে এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখনো দরপত্র আহ্বান করা সম্ভব হয়নি। বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফরিদ উদ্দিন জানিয়েছেন, অর্থ বরাদ্দের ছাড়পত্র পেলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হবে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/