• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি

বীর মুক্তিযোদ্ধা মন্তাজ উদ্দিন বেপারীর জীবনসংগ্রাম: অবহেলায় কাটছে শেষ বয়স

শাহাদাত কামাল শাকিল... / ১৫৯ Time View
Update : সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী মন্তাজ উদ্দিন বেপারী আজ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অবহেলা ও অভাবের সঙ্গে লড়াই করছেন। এক সময় যিনি দেশ মাতৃকার টানে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন, সেই মানুষটিই আজ সরকারি স্বীকৃতি ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

মন্তাজ উদ্দিন বেপারী, পিতা ছলুমুদ্দিন বেপারী ও মাতা করফুলনেছার সন্তান, জন্মগ্রহণ করেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ধামগর ইউনিয়নের মুগসাইর দাররা গ্রামে। ১৯৭১ সালে পাহাড়পুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তাজুল ইসলাম খোকনের নেতৃত্বে ভারতের কলামচূড়া এলাকায় গিয়ে প্রশিক্ষণ নেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কিন্তু যুদ্ধশেষে কিছু দুরভিসন্ধিমূলক পরামর্শে ভয়ে কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন, যার ফলে আজও নিশ্চিত হতে পারেননি তার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আছে কিনা।

১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ভিটেমাটি হারিয়ে তিনি চলে আসেন দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের কুড়াখাল পূর্ব পাড়া গ্রামে। শ্বশুরবাড়ির সহায়তায় সেখানেই নতুন করে জীবন শুরু করেন। বর্তমানে তার ছয় কন্যা ও একমাত্র ছেলে রয়েছে। ছেলে একজন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু পরিবারের একজনের আয়ে এত বড় সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্তাজ উদ্দিন বলেন,
“আমি আজও গরীব মানুষ, কিন্তু চেষ্টা করছি যেন আমার পরিবার অন্তত শান্তিতে থাকতে পারে। একজন মুক্তিযোদ্ধার জীবনের এমন পরিণতি কাম্য নয়।”

তিনি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সমাজের বিবেকবান মানুষের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, তার জীবনসংগ্রামের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যেন তাকে স্বীকৃতি ও সহায়তা প্রদান করা হয়।

তিনি বলেন, “আমার ছয় মেয়ে আর এক ছেলে—তাদের ভবিষ্যৎ আজ ঝুঁকির মুখে। সরকার যদি পাশে দাঁড়ায়, তাহলে হয়তো আমরা আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবো।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/