• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

নবীনগরের ঐতিহ্যবাহী মালাই বাঙ্গরা বাজারে ফের উচ্ছেদ অভিযান, ক্ষোভে ব্যবসায়ীরা

সুমন আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: / ৯০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

সুমন আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মালাই বাঙ্গরা বাজারে আবারও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। গত সোমবার (৬ জুলাই) নবীনগর কোম্পানীগঞ্জ সড়কের জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজার এলাকায় দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে সড়কের দুই পাশে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মানস চন্দ্র দাস। এ সময় সওজের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনাগুলো অপসারণ করা হয়েছে। এর আগে একাধিকবার নোটিশ প্রদান ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে দখলদারদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। তাই আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তবে অভিযানকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তাদের অভিযোগ, সওজের নজর যেন শুধু মালাই বাঙ্গরা বাজারেই। নবীনগরের আরও বিভিন্ন এলাকায় সড়কসংলগ্ন সরকারি জমিতে স্থাপনা থাকলেও সেখানে একই ধরনের অভিযান খুব একটা দেখা যায় না। ফলে বারবার বাঙ্গরা বাজারের ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে তারা দাবি করেন।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বহু বছর ধরে এই বাজারে ব্যবসা করে অসংখ্য পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছে। পুনর্বাসনের কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া ধারাবাহিক উচ্ছেদ অভিযানে অনেকেই চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তাদের প্রশ্ন, উন্নয়নের প্রয়োজন থাকলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে একই বাজারে বারবার অভিযান পরিচালনা কতটা যৌক্তিক?
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই একই স্থানে সওজের উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছিল। সর্বশেষ অভিযানের পর আবারও স্থানীয়দের মধ্যে একই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, উচ্ছেদ অভিযান কি শুধু মালাই বাঙ্গরা বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি নবীনগরের অন্যান্য সড়কসংলগ্ন অবৈধ দখলের বিরুদ্ধেও একইভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
তবে ব্যবসায়ীদের এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পৃথক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/