আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের আলিম মাদ্রাসার পেছনে বসবাস করেন মিজানুর রহমান, পেশায় একজন ড্রাইভার। সীমিত আয়ের এই পরিবারের দুই সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে ফাতেমা। বয়স মাত্র ১০ বছর। সবার আদর-ভালোবাসায় বেড়ে ওঠা হাসিখুশি এই শিশুটি আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।
কিছুদিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, মিরপুরে ফাতেমার চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, গত এক বছর আগে তার হৃদপিণ্ডে ১২ শতাংশ ছিদ্র ধরা পড়েছিল। কিন্তু অর্থের অভাবে সময়মতো চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সেই ছিদ্র প্রায় ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ফাতেমাকে দ্রুত হার্টের অপারেশন করাতে হবে। অপারেশনের সম্ভাব্য খরচ প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা।
এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা একজন ড্রাইভার বাবার পক্ষে অসম্ভব। তাই অসহায় পরিবারটি সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান মানুষ এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে।
আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে ফাতেমার নতুন জীবনের আশার আলো। যে যেখানে আছেন, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, অনুগ্রহ করে এই নিষ্পাপ শিশুটির চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।
ফাতেমার পরিবারের নগদ ও বিকাশ নম্বর দেওয়া হলো ০১৪০৮-১২৬৮১৭ ( পারসোনাল) । অনুগ্রহ করে আপনার পরিচিতজনদের মাঝেও এই আবেদনটি ছড়িয়ে দিন।
মনে রাখবেন, সন্তান হারানোর কষ্ট পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর বেদনাগুলোর একটি। আসুন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি, যেন একটি অসহায় বাবা-মাকে সেই বেদনা বয়ে বেড়াতে না হয়।
বিশেষ করে দেশের বাইরে অবস্থানরত সম্মানিত প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ, নিজের সন্তানের বা ছোট বোনের মতো ভেবে যদি সম্ভব হয়, ফাতেমার পাশে দাঁড়ান। আপনার একটি মানবিক উদ্যোগ ফিরিয়ে দিতে পারে একটি নিষ্পাপ শিশুর হাসি, একটি পরিবারের বেঁচে থাকার স্বপ্ন।
https://slotbet.online/