• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ভাণ্ডারিয়ায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যা না আত্মহত্যা—রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য

মো. শামীম হোসাইনঃ / ৪৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

মো. শামীম হোসাইন: পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি (২৭) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া এলাকার (৮ নম্বর ওয়ার্ড) শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বাপ্পি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন এতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। একপর্যায়ে মীম বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
পরিবারের অভিযোগ, বিদেশ যাওয়ার কাগজপত্র তৈরির অজুহাতে মীম প্রায়ই ঢাকায় যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করতেন। গত ১১ জুন তিনি স্বামীকে না জানিয়ে ঢাকায় গিয়ে একটি হোটেলে ওঠেন। এ সময় মোবাইল ফোনে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ভিডিও কলে মীমের সঙ্গে একটি কক্ষে অপর এক পুরুষকে দেখতে পান বাপ্পি। এরপর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
পরিবারের দাবি, গত ১৪ জুন মীম ঢাকায় থেকে ফিরে বাবার বাড়িতে অবস্থান নেন এবং মোবাইল ফোনে বাপ্পিকে সেখানে ডেকে নেন।
নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম জানান, সোমবার রাতে খাবার শেষে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে রাত ১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে ঘুম ভেঙে বাপ্পিকে খুঁজে না পেয়ে ঘরের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে ঘরের আঁড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখেন। পরে তিনি ওড়না কেটে মরদেহ নিচে নামিয়ে খাটে রাখেন এবং স্বজনদের খবর দেন।
তবে বাপ্পির মা রুবী বেগম ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, “আমার ছেলেকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার পুত্রবধূর অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। আমার ছেলে বিষয়টি জানতে পেরে যাওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।”
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে রুবী বেগম শ্বশুরবাড়িতে এসে কান্নাকাটি শুরু করলে মীমের চাচাতো ভাই বেল্লাল হাওলাদার তাকে বাঁশ দিয়ে মারধর করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশর কুমার মন্ডল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/