• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো।

মোঃ ইয়াছিনআলী সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ / ৬২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

মোঃ ইয়াছিন আলী সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দুপুর গড়াতেই অনেককে বিদ্যালয় ত্যাগে ব্যস্ত হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে, দিঘুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টা ৪৮ মিনিটে এবং বেলকুচি পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩টা ১০ মিনিটে বন্ধ করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব বিদ্যালয়ে প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনিয়ম চলে আসছে। দুপুরে নামাজের পরপরই অনেক শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

একজন স্থানীয় অভিভাবক বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা কখন আসেন, কখন যান—তা আমরা ঠিকমতো জানি না। তবে দুপুরের পর থেকেই বিদ্যালয় বন্ধ দেখতে পাই।”

একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জানায়, “আমি আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় এখন মাদ্রাসায় পড়ি।”

অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখনই শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলবো এবং বিষয়টি তদন্ত করে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে এবং শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পাঠদান সুবিধা পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/