উপজেলার কামদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন বরণ, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ১১ টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সহকারি শিক্ষক রুহুল আমিনের সঞ্চালনায়, কামদেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসর, প্রাপ্ত শিক্ষক, আবুল কাশেমের এর সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ০৮নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
কামদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা,সহকারী শিক্ষক মকলেস উদিন,শাহাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম,
এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজুল ইসলাম,মিজানুর রহমান,রহমত আলী,মিজান, রফিকুল ইসলাম, সেলিম।
বিদায়ী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
পুরো অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল কামদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন
উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অতিথি বৃন্দ বলেন কামদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয় উপজেলার সেরা বিদ্যালয় গুলোর মধ্যে এটিও একটি। আশা করি বিগত বছরগুলোতে যে সুনাম এবং ভালো ফলাফল ছিল তা তোমরা আরো ভালো ফলাফল বয়ে আনবে এবং এই বিদ্যালয়ের মান অক্ষুন্ন রাখবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা বলেন গত বছর আমাদের বিদ্যালয়ের পাসের হার ভাল ছিল তোমরা এ বছরও ভালো ফলাফল করে এই বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করবে।
শিক্ষক বৃন্দ বলেন তোমরা হচ্ছো ফুল এবং চারা গাছ আর আমরা শিক্ষক বৃন্দ হচ্ছি মালী।
আমরা মালী হিসেবে চেষ্টা করেছি তোমাদেরকে সর্বোচ্চটা দিয়ে পরিচর্যা করার, তোমাদের ফলাফলের মাধ্যমে ফুটে উঠবে কতটা পরিচর্যা করতে পেরেছি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুর ইসলাম, চেয়ারম্যান বলেন, মেধাবী হওয়ার পাশাপাশি ভালো ছাত্র হওয়াও জরুরি। “শিক্ষার্থীদের শুধু মেধাবী হলেই চলবে না, ভালো ছাত্রও হতে হবে।” বর্তমানে মোবাইল ফোন একটি ‘মহামারী’র মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও মেধার বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্তত পরীক্ষার আগের কয়েক মাস মোবাইল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জীবনে সফল হতে উচ্চ নম্বরই সব যা পড়া হচ্ছে তা বুঝে পড়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। “বুঝে পড়ে নম্বর পেলেই যথেষ্ট, বিসিএসসহ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়া হিসেবে স্কুলজীবনে পড়াশোনায় অবহেলার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের গড়ে তু মায়েদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “মা ভালো হলে সন্তানও ভালো হবে” উল্লেখ করে তিনি সন্তানদের প্রতি আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।
শিক্ষার্থীদের জন্য দোয়া মোনাজাত এবং তবররুক বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
https://slotbet.online/