আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে লড়াইয়ের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে নামলেন ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তিনি দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
মনোনয়ন সংগ্রহের সময় তার সঙ্গে জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ফরম গ্রহণের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি দলের হাইকমান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
ফোরাতুন নাহার প্যারিস কেবল একজন নেত্রী নন, বরং ঠাকুরগাঁওয়ের তৃণমূল রাজনীতিতে এক লড়াকু নাম। ১৯৯৩ সালে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাত ধরে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। কলেজ জীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে সক্রিয় প্যারিস। ২০১০ সালে জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক এবং ২০১৭ সাল থেকে সফলতার সঙ্গে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, হয়রানি ও চাপের মুখেও তিনি রাজপথ ছেড়ে যাননি। দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার সাহসী ভূমিকা তাকে সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। তার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর তাকে সংরক্ষিত আসনের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর ফোরাতুন নাহার প্যারিস আবেগঘন বক্তব্যে বলেন:
“দীর্ঘ ৩০ বছর রাজপথে মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে শামিল আছি। রাজনীতি মানে আমার কাছে পদের মোহ নয়, বরং সেবার সুযোগ। আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ আমাদের অভিভাবক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যার এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনের প্রতি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মরহুম তৈমুর রহমান ভাইকে, যার দিকনির্দেশনা আমাদের পথ দেখিয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “দল যদি আমাকে সুযোগ দেয়, তবে আমি সংসদে তৃণমূলের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে উৎসর্গ করব। নারীদের অধিকার রক্ষা এবং ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রত্যাশা পূরণই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”
https://slotbet.online/