• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

টাকা ছাড়া কাজ করে না সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবরক্ষক ফজলুল হক !!

নাজিম উদ্দিন রানা: / ৭২ Time View
Update : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক ফজলুল হক ফজলুর বিরুদ্ধে নামজারি আবেদনে অতিরিক্ত টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। তাকে অতিরিক্ত টাকা না দিলে নামজারি করে দেননা বলেও অভিযোগ ভূক্তভোগীর। এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেন রাশেদ নামে এক দলিল লেখক জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছে দায়েরকৃত রাশেদ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, রাশেদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর তার শাশুড়ি রত্না বেগমের নামে একটি নামজারির (নথিনং- ১৫৭১৪/২৫-২৬) আবেদন করা হয়। আবেদনটি তহসিলদার ও সার্ভেয়ারের প্রতিবেদন দেওয়ার পরেও অনুমোদনের জন্য ভূমি অফিসের সেকেন্ড ইন কমান্ড প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক ফজলুল হকের টেবিলে যায়। এ ঘটনায় রাশেদ দেখা করতে গেলে ফজলু তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা ও মূল দলিল দাবি করে। পরে রাশেদ তাকে মূল দলিল দিলেও টাকা দেয়নি। এতে তিনি রাশেদকে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হবে বলে জানিয়ে দেন। এরআগে ২০২৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাশেদ তার নিজের জমির নামজারি (নথি নং-১৭৮৩৪/২৩-২৪ইং) করার জন্য আবেদন করেন। তখন ফজলু তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। ওই টাকা না দেওয়ায় নামজারির নথির হার্ড কপি এসিল্যান্ড অনুমোদন দিলেও ফজলু অনলাইনে তা বাতিল করেন দেয়।

এছাড়াও উপজেলা ভূমি অফিসে দুই বছর কার্যকাল অতিবাহিত হওয়ার পরেও মহাতবিয়তে এখনো বহাল রয়েছে চেয়ারে নিয়ম নীতির দ্বার দ্বারে না সেকেন্ড ইন কমান্ড ফজলু,তার নিজ বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পিয়ারপুর গ্রামে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভূমি অফিসের কর্মচারী ফজলুল সঙ্গে রাশেদের নামজারি নিয়ে সম্পর্ক রয়েছে। প্রায়ই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে তার মাধ্যমে রাশেদ বিভিন্ন জনের নামজারির আবেদন করেন। ভূমি অফিসে এসে ‘দালালি’র করার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ তখনকার সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মকবুল হোসেন তাকে (রাশেদ) আটক করে। পরে রাশেদ অন্যের কাজে দালালি বা মাধ্যম হয়ে ভূমি অফিসে ঢুকবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। এদিকে রাশেদ ও ফজলুর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে লেনদেনের-কথাবার্তা হতো বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, নামজারির সরকারি ফি ১১০০ টাকা। কিন্তু দালাল কিংবা সরাসরি অসাধু কর্মচারীরা প্রতিটি নামজারির জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে। জমির লোকেশন অনুযায়ী এ টাকার পরিমাণ আরও বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যক্তি।

রত্না বেগম বলেন, রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নের আমার বাড়ি ছিল। সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের হাসন্দি গ্রামে জমি কিনে বাড়ি করেছি। জমা খারিজের জন্য বিদ্যুতের সংযোগ নিতে পারছি না।

ইসমাইল হোসেন রাশেদ বলেন, ফজলুকে ১০ হাজার টাকা না দেওয়ায় তিনি আমার নামে নামজারি অনলাইন থেকে বাতিল করে দেয়। এখন আমার শাশুড়ির নামে নামজারি করতে গেলে তিনি ৫ হাজার টাকা দাবি করে। ওই টাকা না দেওয়ায় তিনি আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

বক্তব্য জানতে সদর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক ফজলুল হক এই প্রতিনিধিকে বলেন আমিন অন্যান্য পত্রিকার নিউজ হওয়ার বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি এছাড়া আমার বিষয়ে রাশেদ যে অভিযোগ করেছে সেই অভিযোগের বিষয়ে রাশেদের সাথে আমার মিনিমাইজ হয়েছে এই সাংবাদিক কে ফোন জানান অভিযুক্ত ফজলু, প্রশ্ন করলে তিনি না বুঝার ভান করেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অভি দাশ বলেন, কেউ টাকা চাইলে আমাকে জানানোর জন্য অফিসে বড় করে লেখা আছে। কিন্তু তিনিতো আমাকে বিষয়টি জানাননি। যে ব্যক্তির নামজারি তিনিতো আমার কাছে আসবেন। আমার দরজা দিয়ে কেউ ঢুকতে পারলেই তার নামজারি হয়ে যায়। প্রথম কাজ হচ্ছে নামজারির বিষয়টি সমাধান করা। দ্বিতীয় কাজ হবে অভিযোগটি তদন্ত করে বের করা। আমার অফিসে দুই নাম্বারি করার কোন সুযোগ নেই। আমার অফিসের যে সে যদি ১০ হাজার টাকা দাবি ও নামজারি বাতিলের হুমকি দিয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/