• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

দখলদারিত্বে টাঙ্গাইল পুরাতন কাপড়ের মার্কেট—প্রতিদিন ৩০ টাকা আদায়, টাকা যায় কার পকেটে জানেন না ব্যবসায়ীরা

স্টাফ রিপোর্টার: / ১৮০ Time View
Update : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা কোর্ট চত্বরসংলগ্ন হেলিপ্যাড মাঠে বসা পুরাতন কাপড়ের মার্কেটটি এখন দখলদারিত্ব ও অবৈধ অর্থ আদায়ের এক অঘোষিত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন শতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এই মার্কেটে জীবিকার তাগিদে দোকান বসালেও তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই মার্কেটে দোকান বসাতে মাসিক ভাড়া হিসেবে নেওয়া হয় ১৫০০ টাকা। এর বাইরে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৩০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু এই অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কে নিচ্ছে বা কোন সংস্থার নামে নেওয়া হচ্ছে—তা কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই টাকা আদায়ের বিপরীতে কোনো রশিদ বা লিখিত কাগজপত্র দেওয়া হয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে পুরাতন কাপড়ের ব্যবসা আগের মতো নেই। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও ক্রেতা সংকটের কারণে বেচাকেনা খুবই কম। অনেক দিন সারাদিন দোকান খোলা রেখেও বিক্রি হয় না। অথচ প্রতিদিন নির্ধারিত ৩০ টাকা না দিলে দোকান বসাতে বাধা দেওয়া হয়, কখনো কখনো নানা ধরনের হুমকি ও চাপও দেওয়া হয়।

এক ব্যবসায়ী বলেন,বেচাকেনা না হলেও টাকা দিতে হয়। আমরা জানি না এই টাকা কার কাছে যায়। প্রশ্ন করলেই ঝামেলা বাড়ে, তাই চুপ করে দিতে বাধ্য হই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বা পৌরসভার কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে হেলিপ্যাড মাঠে এই পুরাতন কাপড়ের মার্কেট বসানো হচ্ছে। একটি প্রভাবশালী চক্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এই মার্কেট পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মাঠটি সরকারি সম্পত্তি হলেও এখানে কীভাবে নিয়মবহির্ভূতভাবে দোকান বসানো ও অর্থ আদায় করা হচ্ছে—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, যদি সরকারি বা পৌরসভার নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করা হতো এবং রশিদ দেওয়া হতো, তাহলে তাদের কোনো আপত্তি থাকত না। কিন্তু অনিয়ম, দখলদারিত্ব ও জবাবদিহিতাহীন অর্থ আদায় তাদের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, অবৈধ দখলদারিত্ব উচ্ছেদ করে নিয়মতান্ত্রিকভাবে মার্কেট পরিচালনার ব্যবস্থা করতে হবে এবং যারা এই অবৈধ অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/