• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

খুলনার বন্দীদের নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর শুরু

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ রিপন হোসেন / ১১১ Time View
Update : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

খুলনায় নতুন নির্মিত আধুনিক কেন্দ্রীয় কারাগারে আজ শনিবার থেকে বন্দী স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রথম ধাপে ১০০ জন বন্দীকে নতুন কারাগারে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
খুলনা কারাগারের জেলার মুনির হোসেন জানান, নতুন কারাগারে বন্দী স্থানান্তরের মাধ্যমে পুরনো কারাগারের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই কমে যাবে। বর্তমানে পুরনো কারাগারে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি বন্দী রয়েছেন, যা ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি।
নতুন কারাগারে স্থানান্তরের পর মেট্রোপলিটন এলাকার বন্দীরা পুরনো কারাগারে এবং জেলা এলাকার বন্দীরা নতুন কারাগারে থাকবেন।
রূপসা বাইপাস সড়কের জয়বাংলা মোড় সংলগ্ন প্রায় ৩০ একর জমির ওপর নির্মিত এই নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারটি সর্বোচ্চ ৪ হাজার বন্দী ধারণ করতে সক্ষম। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২ হাজার বন্দীকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

২০১১ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়। প্রাথমিকভাবে বাজেট ধরা হয়েছিল ১৪৪ কোটি টাকা, তবে পরবর্তীতে প্রকল্পের সময়সীমা ও কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৮ কোটি টাকায়।
২০১৬ সালের জুনে নির্মাণকাজ শুরু হলেও করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন জটিলতায় একাধিকবার সময়সীমা বাড়ানো হয়।
নতুন কারাগারে পুরুষ, নারী, কিশোর ও দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের জন্য আলাদা ব্যারাক, ৫০ শয্যার হাসপাতাল, বন্দীর সন্তানদের জন্য স্কুল ও ডে কেয়ার সেন্টার, মোটিভেশন সেন্টার, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ শেড এবং বিনোদন ও সাংস্কৃতিক সুবিধা থাকছে।
সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার রশিদুল ইসলাম জানান, কারাগারের মোট ৫২টি ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে, যদিও কিছু আনুষঙ্গিক কাজ এখনো চলছে।
কারা কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, আধুনিক এই কেন্দ্রীয় কারাগার খুলনায় বন্দী ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগের সূচনা করবে, যেখানে নিরাপত্তার পাশাপাশি বন্দীদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/