গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী রফিক উদ্দিন রফিকের মদদে নূরুল ইসলাম নূরু পরিচালনা করছেন রমরমা মাদক ব্যবসা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক সময় সোলার সিরামিক কারখানায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন নূরুল ইসলাম নূরু। কাজের ফাঁকে রিকশাও চালাতেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ করেই রফিক উদ্দিন রফিকের আশীর্বাদে নূরু এখন বিপুল সম্পদের মালিক।
নূরু কেওয়া বাজারের পাশে কেওয়া মৌজায় প্রায় ৮০ লাখ টাকার জমি এবং উজলাব মৌজায় স্কাইনীট কারখানার পাশে প্রায় ১ কোটি টাকার ১০.৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও তিনি আলিশান বাড়িঘরসহ আরও অনেক সম্পদের মালিক হয়েছেন অল্প সময়ে।
কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নূরুল ইসলাম নূরুর মোদির দোকানে বসে মাদক ব্যবসার ভিডিও ভাইরাল হয়। পরে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিকের কাছে মোসলেখা দিয়ে গ্রেপ্তার এড়ান নূরু। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন স্থানে এজেন্ট নিয়োগ করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে, রফিক উদ্দিন রফিকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আবু হানিফা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তিনি রফিকের নির্দেশে বিগত সরকারের আমলে শ্রীপুর উপজেলার আওয়ামী পন্থী সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বি. এ-এর রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। এজন্য রফিক উদ্দিন রফিক জলিলের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থও নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বাসিন্দা জানান, “আবু হানিফা ৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তার তৎপরতায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।”
স্থানীয়রা আরও জানান, নূরু ও আবু হানিফার মতো অন্তত ১০ জন এজেন্ট রফিক উদ্দিন রফিকের ছত্রছায়ায় নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা বলেন, “রফিক উদ্দিন রফিকের মতো দুর্নীতিবাজ ও বিতর্কিত ব্যক্তি যদি কমিটিতে স্থান পান, তবে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে এবং সাধারণ ভোটাররা বিএনপির প্রতি নিরুৎসাহিত হয়ে পড়বে।”
https://slotbet.online/