• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

কাজীপুরে অনিয়মের দায়ে ৫৯ নং মহিমাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আলোচনায়

মোঃইয়াছিন আলী সিরাজ গঞ্জ প্রতিনিধি / ২০৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ি ইউনিয়নের ৫৯ নং মহিমাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফের অনিয়মের ঘটনা ধরা পড়েছে।আজ ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১:২০ মিনিটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি তালাবদ্ধ। অথচ তখনও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্লাস চলার সময় ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। শিক্ষকরা প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন, এবং নিয়মিত শ্রেণি পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অভিভাবকরা বলছেন, বারবার অভিযোগ করার পরেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এর আগেও এই বিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তবে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং আজকের ঘটনাই প্রমাণ করে—পরিচালনায় চলছে গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতা।

এ বিষয়ে কাজীপুর উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা বলেন:

“ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে।”

তার এই বক্তব্যে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও তারা বলছেন—কেবল তদন্ত নয়, দ্রুত ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্থানীয় এক অভিভাবক জানান:
“আমরা বারবার বলছি, কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। বাচ্চারা প্রতিদিন এসে তালা দেখে ফিরে যায়। এগুলো কি প্রশাসনের চোখে পড়ে না?”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি।

এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। তারা বলছেন—একটি বিদ্যালয়ের দায়িত্ব অবহেলা মানে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। তাই শুধু “বিভাগীয় মামলা” নয়, প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/