• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

বরগুনায় বিএনপি অফিস ভাংচুর মামলায়১২ আইনজীবীর কারাদণ্ড

বরগুনা জেলা প্রতিনিধ:  / ৩২৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বরগুনায় বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নী সংযোগ মামলায় জেলা আইনজীবী সমিতির ১২ জন আইনজীবীকে জেল হাজতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ১২ জন আইনজীবী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে, বিচারক মোঃ সাইফুর রহমান শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

জেল হাজতে প্রেরনের আইনজীবীদের মধ্যে রয়েছে, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুল, এ্যাডভোকেট মুজিবুল হক, জিপি মজিবুর রহমান,, জুনায়েদ, জুয়েল, হুমায়ুন, কোভিদ, পোল্টু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, এ্যাডভোকেট হুমায়ুন কোভিদ, এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান জুয়েল, এ্যাড, আব্দুল্লাহ আল মামুন এ্যাডভোকেট ইমরান, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম এ্যাডভোকেট মিলন। মামলার এজাহার সূত্রে জানান বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলামের ছেলে এস এম মাইনুল ইসলাম ২০২৩ সালে ১৭ মার্চ বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ এর ঘটনা অভিযোগ এনে ৩০ এপ্রিল বরগুনা থানা একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় প্রধান আসামি বরগুনা ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যএ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ সম্ভুসহ ১৫৮ জনের নেতাকর্মী ও দুই শতাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে এই মামলায় করা হয়। এর মধ্য কিছু আইনজীবী হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে আছে । হাইকোর্টের জামিন শেষে ২ সেপ্টেম্বর বরগুনা আদালতে আইনজীবীরা আত্মসমর্পণ করলে আদালত জামিন না মন্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল্লাহ আমিন বলেন, বিএনপির অফিসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছবি ভাঙচুর এবং বিষফ্রক দ্রব্য ব্যবহার সংক্রান্ত মামলার আসামি। বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরোও বলেন আদালতে আসামিদের পক্ষে কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/