• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অফিস সহায়ক নিয়োগে জালিয়াতি

মোমিন ইসলাম সরকার দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় প্রতিনিধি, / ১৭৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার গড়দিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতি ও ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কয়েক লক্ষ টাকার বিনিময়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে জাতীয় দৈনিক নবচেতনা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তির আলোকে খারিজা কাটনহারীর সেরাজুল ইসলাম ও লায়লা বেগমের কন্যা মোছাঃ মরিয়ম আক্তারকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখিয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে নিয়োগপত্র প্রদান করেন তৎকালীন প্রধান শিক্ষক বিলাস চন্দ্র রায় এবং প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম প্রধান।
তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন বাস্তবতা। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানান, নিয়োগ প্রসঙ্গে তারা কিছুই জানেন না। এমনকি মরিয়ম আক্তার নামে কোনো অফিস সহায়ক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন কিনা, তাও তারা অবগত নন।
গণমাধ্যমকর্মীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে মরিয়ম আক্তারকে উপস্থিত পাননি। সাবেক প্রধান শিক্ষক বিলাস চন্দ্র বর্মনকে প্রশ্ন করলে তিনি অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন।
অবাক করার বিষয় হলো, ৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বিলাস চন্দ্র বর্মন ও নুরুল ইসলাম প্রধানের স্বাক্ষরিত একটি বেতন ভাউচার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে (স্মারক নং: গড়ঃউঃবিঃ/২০২৫-১৫)। অথচ শিক্ষা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো বৈধ নথি নেই।
ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই ভুয়া নিয়োগের পরীক্ষা কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল? কত টাকা ঘুষে নিয়োগপ্রার্থী নির্বাচিত হলেন? আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করে কারা এই দুর্নীতির নেপথ্যে ছিলেন ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/