• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ঝিনাইদহে পরকীয়ার জেরে স্বামী খুন: স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি- / ১৬৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ভালকী গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী জসিম উদ্দিনকে হত্যার দায়ে স্ত্রী রিতা খাতুন ও তার প্রেমিক আব্দুল মালেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মামুনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রিতা খাতুন হরিণাকুন্ডু উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের জয়নাল মন্ডলের মেয়ে এবং তার প্রেমিক আব্দুল মালেক ভালকী গ্রামের জালাল মন্ডলের ছেলে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর রাতে রিতা ও তার প্রেমিক আব্দুল মালেক কৌশলে জসিম উদ্দিনকে বাড়ির পাশে ডেকে নিয়ে গিয়ে চেতনানাশক খাইয়ে হত্যা করেন। পরে নিহতের ভাই আব্দুর রশিদ হরিণাকুন্ডু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অনিশ মন্ডল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালতে ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ে অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।

বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট নেকবার ও অ্যাডভোকেট রিমা ইয়াসমিন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন ও অ্যাডভোকেট গৌতম কুমার।

রায় ঘোষণার পর নিহতের ভাই ও মামলার বাদী আব্দুর রশিদ বলেন, আসামিদের ফাঁসি হলে আরও খুশি হতাম। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে হত্যা করেছে, আমরা আদালতে তা প্রমাণ করতে পেরেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/