• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ধ্বসে পড়া ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেই কোন দপ্তরের, গ্রামবাসীর দূর্ভোগ

Reporter Name / ১৩৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

বাংলার দূত প্রতিবেদক : কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাউবো’র সুষ্ঠু তদারকির অভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছেমতো খনন কাজ করায় নদীর উপর নির্মিত ব্রিজগুলো ভেঙে পড়েছে। এসব ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচলকারী গ্রামের হাজার হাজার মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে।ভেঙ্গে পড়া এসব ব্রিজে নিজস্ব উদ্যোগে চলাচলের জন্য বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সাঁকো তৈরি করলেও ইতোমধ্যে জরাজীর্ণ হয়ে পরায় তা আবারও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। ভোগান্তিতে পরেছে এলাকার মানুষ। প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-খাট দুর্ঘটনা। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে মানুষজনকে চরম দূর্ভোগে পরতে হবে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ডেল্টা প্লান-২১০০ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিবেশ, বন্যা, সেচ, মৎস্য চাষ, নাব্যতা, হাঁস মুরগীর খামার, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নসহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের আওতায় ব্রহ্মপুত্র নদের সংযোগস্থল হাতিয়া ইউনিয়নের বাগুয়া অনন্তপুর বাজার থেকে পান্ডুল বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৩০ কিলোমিটার বামনী নদী খনন করা হয়। চারটি গ্রুপে খনন কাজের দায়িত্ব পায় রংপুরের হাসিবুল হাসান দুইটি গ্রুপ, কুষ্টিয়ার এসই-এনইউএম-জেভি একটি ও পটুয়াখালীর মিজানুর রহমান নামের ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয় প্রায় ১৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। নদীটি খনন করার সময় বামনী নদীর উপর নির্মিত প্রায় ২৫টি ব্রিজের সাতটিই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সে সময় পান্ডুল ইউনিয়নের কাগজী পাড়া এলাকায় নির্মিত একটি পুরাতন ব্রিজ পানির স্রোতে ধসে পড়ে। ফলে এ ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলকারী আমভদ্রপাড়া, জটিয়াপাড়া, চাকলিরপাড়সহ আশপাশের প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চলাচলের জন্য বাঁশ ও কাঁঠ দিয়ে বিকল্প সেতু তৈরি করা হয়।

এছাড়া মাঝবিল এলাকার গঙ্গারাম নদীর উপর নির্মিত ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের নির্মিত ব্রিজটির উইং ওয়ালের মাটি সরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফিজানুর রহমান বলেন, নদীর উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজগুলো পুনর্নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, এসব ব্রিজ নির্মাণের দায়িত্ব উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট অফিসকে অবহিত করা হয়েছে।
বাংলার দূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/