• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত: চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস শুরু

Reporter Name / ২১০ Time View
Update : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলারদূত প্রতিবেদক : নৌযান শ্রমিকদের চলমান কর্মবিরতি স্থগিত করায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে আজ পণ্য খালাস শুরু হয়েছে।

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে লাইটার জাহাজে সাতজনকে খুনের ঘটনার বিচার ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে চলমান কর্মবিরতি শনিবার রাতে স্থগিত হয়েছে। তাই আজ রোববার সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে সব ধরনের পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।

নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুরোধে কর্মবিরতি স্থগিত করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ নৌযান ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক নবী আলম।

তিনি জানান, শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে সরকারের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আবারও আলোচনায় বসবেন উভয় পক্ষ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে। কর্মসূচি প্রত্যাহারের পর আজ সকাল থেকে চট্টগ্রাম নগরের মাঝির ঘাট, বাংলাবাজার ও সদরঘাট এলাকায় ১৬টি বেসরকারি ঘাটে লাইটার জাহাজ শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন। এতে বন্দরের বহির্নোঙর থেকে সব ধরনের পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে এ কর্মবিরতি পালন করছেন নৌযান শ্রমিকেরা।

ইনল্যান্ড ভ্যাসেল ওনার্স এসোসিয়েশন অব চিটাগাং-আইভোয়াকের সহসভাপতি ও মুখপাত্র পারভেজ আহমেদ বলেন, সরকারের সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে সংকটের সুরাহা হলো। শ্রমিক নেতাদের সাথে আলোচনা শুরু করতে বিলম্ব হলে দেশ আরো ক্ষতির মুখে পড়ত।

সাত খুনের ঘটনার পরপরই প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবিতে ৭২ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন। সাত খুনের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করে বিচার, নৌ-পথের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নিহত শ্রমিকদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবী তোলে নৌযান শ্রমিকরা।
বাংলারদূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/