• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ছাতকে লাগামহীনভাবে শাক-সবজীর মূল্য বৃদ্বি বিপাকে পড়েছে নিম্ম আয়ের মানুষ

সেলিম মাহবুব , স্টাফ রিপোর্টার / ২৬১ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪

ছাতকে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে শাক-সবজীর দাম। প্রতিদিনই কাঁচা বাজাবের বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে যার-যার মতো মূল্য নির্ধারন করে শাক-সবজী বিক্রি করছেন কাঁচা ব্যবসায়ীরা। অনেকটা অসহায়ত্বের শিকার হয়েই পকেট উজাড় করে শাক-সবজী কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা। আবার চড়া মূল্যে পণ্য কিনেও প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতা সাধারন। এক কেজি পণ্য ক্রয় করে অন্য কোথাও ওজন করালে তা ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম কমে যায়। এ যেন ডিজিটাল মেশিনে ডিজিটাল তেলেছমাতি। রোববার ও সোমবার ছাতক শহর সহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে লাগামহীন শাক-সবজীর বাজারে দামেরও তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। ভিন্ন ভিন্ন দোকানে সবজীর মূল্যও ভিন্ন-ভিন্ন। এতে স্পষ্ট বোঝা যায় কাঁচা বাজরে সবজী ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ব। কোন সবজীই প্রতি কেজি ৬০ টাকার নীচে পাওয়া যায় না। বর্তমানে বাজারে সব ধরনের সবজী সাধারণ মানুষের এয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এতে সংসার চালাতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ম আয়ের সাধারন মানুষ। বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো প্রতি কেজে ১৮০-২০০ টাকা, মুখী ৮০-৯০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, লুবি ৯০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, ঢেঁরশ ৬০ টাকা, বাধা কপি ১২০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কাকরুল ৮০ টাকা, পেপে ৫০ টাকা, মাঝারী সাইজের কলার মুচা ৪০-৫০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, মিষ্টি লাউ প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে একটি মাঝারি সাইজের মিষ্টি লাউ ১৫০-১৭০ টাকা, বাংলা লাউ ১০০-১২০ টাকা, সাধারন সাইজের একটি চাল কুমড়া ৮০-৯০ টাকা, কাঁচ কলা প্রতি হালি ৬০-৭০ টাকা, আলু ৬০-৬৫ টাকা, ঝিংগা ৭০ টাকা, ছিছিন্দা ৬০ টাকা, শষা ৭০ টাকা, ৬-৭ টি করে আটি বাধা ডাটা ৫০-৬০ টাকা- এরকম প্রতিটি সবজীর দাম ৬০ টাকার উপরে। বন্যার অজুহাতে প্রতিটি সবজীর দাম দুই থেকে তিন গুন বাড়ানো হয়েছে। সবজীর বাজার লাগামহীনতার কারনে নিম্ম আয়ের মানুষ শাক-সবজী কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মুল্যের সাথে সাধারণ মানুষের আয়ের পার্থক্য ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে। বাজারে সবজী কিনতে আসা রফিক মিয়া জানান, অবশেষে আমাদের মতো নিম্ম আয়ের মানুষরা শাক-সবজী কিনে খাওয়া সামর্থও হারিয়ে ফেলছি। অস্থির বাজার থেকে সবজী কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। মাছ কিনলে সবজী কেনার সামর্থ থাকে না, আর সবজী কিনলে মাছ কেনা হয় না। ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্রেতা আবুল কাদির জানান, বাজার মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দামে সবজী বিক্রি করছে। ক্রেতারা অনেকটা অসহায় হয়েই বাড়তি দামে কিনে নিচ্ছে সবজী। বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, তারা খুচরা ব্যবসায়ী। কেজিতে ৫-১০ টাকা লাভে বিক্রি করে থাকেন সবজী। দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের কোন হাত নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/