• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

দিনাজপুরের বিরামপুরে মাল্টা চাষে বিপ্লব

Reporter Name / ১৭০ Time View
Update : বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

বাংলার দূত প্রতিবেদক : জেলার বিরামপুরে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের প্রত্যক্ষ সহায়তা ও চাষীদের আগ্রহে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাল্টা চাষের নীরব বিপ্লব ঘটেছে।

দিনাজপুর আঞ্চলিক কৃষি অধিদপ্তরের ফল নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত সহকারী পরিচালক এটিএম রেজাউল ইসলাম সম্প্রতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, চলতি বছর দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা মালটা চাষের উপযোগী উপজেলা হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। এ উপজেলায় সৃজনকৃত ৬০টি মাল্টার বাগান ও কৃষকদের পতিত জমিতে লাগানো মালটার গাছে বাম্পার ফলন হয়েছে। মাল্টা চাষীদের লাভ দেখে অন্য কৃষকরা মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

জেলার বিরামপুর উপজেলা কৃষি বিভাগের, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিক্সন চন্দ্র পাল গত ৫ বছর পূর্বে উপজেলার কৃষকদের উচ্চ মূল্যের ফল-ফসল আবাদে আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। এ এলাকার মাটি মাল্টা চাষের উপযোগী হওয়ায় তিনি কৃষকদের মালটা বাগান তৈরির প্রতি উৎসাহিত করেন। একই সঙ্গে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে মালটা চারা ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে কয়েক বছরের মধ্যে চাষীদের মাঝে প্রায় ৩০টি মাল্টা বাগান তৈরি করে দেয়া হয়েছে। তাদের সাফল্য দেখে ব্যক্তি উদ্যোগে চাষীরা আরো ৩০টি বাগান তৈরি করেছেন। এছাড়া পতিত জমি ও বাড়ির ছাদে অনেকে মালটা চাষ করেছেন।

দিনাজপুর হর্টিকালচার বিভাগের হিসেব মতে গত ৫ বছর আগে উপজেলায় মালটার কোনো চাষ না হলেও বর্তমানে উপজেলার প্রায় ৭২ একর জমির ওপর ৬০টি মালটা বাগান গড়ে উঠেছে।

বিরামপুর উপজেলার মুকুন্দপুর ইউনিয়নের পটুয়াকোল গ্রামের নূর ইসলাম মিঠু জানান, কৃষি বিভাগের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি গত ৪ বছর পূর্ব ২৫০টি মালটা গাছ রোপণ করে ছিলেন। চারা রোপণের দু’বছর পর ফল ধরতে শুরু করেছে। বর্তমানে প্রতিটি গাছে গড়ে ৬০ থেকে ৭০ কেজি হারে মালটা ধরেছে। অন্য বাগানগুলোতে এবার মালটার বাম্পার ফলন হয়েছে। বাগান থেকে বিভিন্ন এলাকার ফল ব্যবসায়ীরা সাড়ে ৩ হাজার টাকা মণ দরে মাল্টা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

মালটা চাষী মিঠু জানান, পরিচর্যা খরচ বাদে মালটা বাগান থেকে তিনি এবার ১০/১২ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

এলাকায় মাল্টা চাষের স্বপ্নদ্রষ্টা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিক্সন চন্দ্র পাল জানান, বিরামপুর উপজেলায় তার হাতেই মালটা চাষের সূচনা হয়েছে। বর্তমানে চাষীরা ব্যাপক হারে মালটার চাষ করছেন। এলাকার মাটি মাল্টা চাষের উপযোগী হওয়ায় এখানকার মাল্টা অধিক সুস্বাদু এবং আকারে বড় হচ্ছে। চাষীদের অধিক লাভ ও সাফল্য দেখে কৃষকরা নতুন নতুন বাগান তৈরিতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কৃষকদের সার্বিক সহায়তার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস ও মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ।
বাংলার দূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/