• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় জোর পূর্বক ভিজিএফ কার্ড নেওয়ার চেষ্টা! অবসরে গেলেন র‍্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এবং এসবির অতিরিক্ত আইজি মোঃ গোলাম রসুল নাগরপুর প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল: শান্তি ও ঐক্যের বার্তা সাইনিং সিতোরিউ কারাতে একাডেমির ছাত্র-ছাত্রীদের কারাতে বেল্ট, সার্টিফিকেট ও কারাতে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হরিপুর টেংরিয়ায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টার এর মাধ্যমে বোরো ধানের চারা রোপনের কার্যক্রম উদ্বোধন রক্তাক্ত জনপদ খুলনায় আবার ও প্রকাশ্যে গুলিতে যুবদল নেতা নিহত ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন অ্যাড. এম এ মজিদ বিরলের পল্লীতে জমি-জমার বিরোধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২

গাজায় স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২২, আহত ৮০

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় একটি স্কুলকে লক্ষ্য করে ট্যাংক থেকে গোল ছুড়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। গোলার আঘাতে সেখানে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮০ জন। হতাহতের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি আল–মুফতি বিদ্যালয়ে রোববারের হামলার বিষয়ে এতথ্য জানায়। খবর বাংলানিউজের।

ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বরাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় গাজার দেইর আল–বালাহতে একটি স্কুল–আশ্রয় কেন্দ্রে হামলা চালালে আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। রেড ক্রিসেন্টের মতে, রাফিদাহ স্কুলে হামলায় কমপক্ষে ৫৪ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। হাসপাতালের কর্মকর্তারা মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে যে, সন্ত্রাসীদের একটি কমান্ড ওই স্কুলের ভেতরে কাজ করছিল। যে কারণে স্কুল কম্পাউন্ডে আঘাত করা হয়েছে। এর আগে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি ইসরায়েলের। তবে ইসরায়েলের এই দাবি স্বাধীনভাবে দাবি যাচাই করতে পারেনি সিএনএন। সিএনএনের ফুটেজে দেখা গেছে, শিশুদের অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তাদের মুখ রক্তে ঢেকে গেছে এবং তাদের মধ্যে অনেকেই চিৎকার করছে এবং কাঁদছে। একটি মেয়ে হাসপাতালের মেঝেতে শুয়েছিল। মেয়েটি কাঁপছে এবং রক্তে ঢেকে গেছে, তার শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে। মেয়েটি আল–আকসা শহীদ হাসপাতালে চিকিৎসা কর্মীদের জিজ্ঞাসা করেছিল। কি হয়েছে? আমি কি মরতে যাচ্ছি? আয়মান আবু খুসা নামের একজন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি যিনি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিরি বলেছিলেন,ইসরায়েলের এই গোলা আকস্মিক আঘাত হানে। আর সব ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। তিনি এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে তার আত্মীয়দের সন্ধান করছেন। আয়মান আবু খুসা সিএনএনকে বলছিলেন, আমরা প্রতিদিন মারা যাচ্ছি। বিশ্ব আমাদের বিক্রি করে দিয়েছে। প্রতিদিন আপনারা (সাংবাদিকরা) এখানে আসেন এবং আমাদের ছবি তোলেন। স্কুলটিতে আশ্রয় নেওয়া আরেক মহিলা ইফতেখার হামউদা বলেন, কেন তারা স্কুলে বোমা মারছে? এখানে সব বাস্তুচ্যুত মানুষ, বেশিরভাগই নারী। এখানে কোন হামাস সদস্য নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/