সড়ক তো খানাখন্দে ভরা, তার ওপর বৃষ্টিতে পানি-কাদায় একাকার সড়ক। খানাখন্দগুলো রূপ নিয়েছে বড় গর্তে। এতে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। চলাচল করছে ছোট-বড় যানবাহন। এমন চিত্র সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া রহমতপুর ও মুছাপুর সীমান্তর বশিরিয়া মাদ্রাসার পাশ দিয়ে যাওয়া সড়কটি। তিনটি ইউনিয়নের সীমান্ত দিয়ে যাওয়া গুপ্তছড়া সড়কের দক্ষিণ এক কিলোমিটার রাস্তা এখন খানাখন্দে গর্ত চরম ভোগান্তির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে তিনটি ইউনিয়নের ২০/৩০ হাজার জনসাধারণের। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট-সুরকি উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দের। খানাখন্দে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মালবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন। সড়কের বেহাল দশার কারণে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ।
এই সড়কের দক্ষিণ অংশ থেকে বশিরিয়া মাদ্রাসা গেইট পর্যন্ত সংস্কারের অভাবে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। বেহাল রাস্তার কারণে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। খানাখন্দে ভরা সড়কটিতে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে ট্রাক, অটোরিক্সাসহ অন্যান্য যানবাহন।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবদুল আলীম কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ইতোমধ্যে এ সড়কের অবস্থা সরোজমিনে পরিদর্শন করে আসছি নতুন প্রজেক্ট আমরা প্রথমে এ সড়কটি পাকাকরণের জন্য পাইল করছি আশা করি দ্রুততম সময়ে টেন্ডার দিয়ে কাজ শুরু করতে পারব।
https://slotbet.online/