চট্টগ্রামে রাউজান এর সাবেক এমপি এ,বি এম ফজলে করিম চৌধুরী আটক হওয়াতে মুন্সিরঘাটা এলাকায় যুব সমাজ,ছাত্র সমাজ ও সাধারণ জনতার মিস্টি বিতরণ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাউজানের বিভিন্ন ইউনিয়ন এর যুবক ও ছাত্ররা।মিস্টি বিতরণ এর সময় আবেগ আপ্লুত হয়ে সাবেক এমপির অপকর্ম ও কুকর্ম কথা তোলে ধরেন উনারা। গণমাধ্যম কে এলাকাবাসী জানান তার ‘অনুমতি’ ছাড়া এলাকায় ভোট করার সাহস কারও ছিল না। তার কথাই ছিল আইন। তিনিই ছিলেন ‘নির্বাচন কমিশনার’। যোগ্যপ্রার্থীদের আগ্রহ থাকলেও ‘তার’ মতের বাইরে যাওয়ার সুযোগ ছিল না কারো। স্থানীয় সরকারের প্রতিটি নির্বাচনের আগে এই উপজেলায় হত সমঝোতা বৈঠক। জমিদখল, চাঁদাবাজী, নারী কেলেংকারী, মানবপাচার, ছাত্র হত্যা, অসহায় মানুষের উপর অমানবিক নির্যাতন সহ আরো অনেক অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন এই এমপি। সাবেক এমপির হুকুমে রাউজান এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল করতে হত।
নির্বাচনের আগে সেই সমঝোতা বৈঠকে যে প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হত তিনিই বনে যেতেন বিনা ভোটের জনপ্রতিনিধি। ক্ষমতাধর যে ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে তিনি হলেন— চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী।
দোর্দণ্ড প্রতাপশালী সাবেক এই সংসদ সদস্য বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার গাজীর বাজার থেকে বিজিবির হাতে আটক হন। আটকের পর বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে ফজলে করিম জানান, তিনি চিকিৎসার জন্য অবৈধপথে ভারতে যাচ্ছিলেন।
https://slotbet.online/