• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

হরিপুরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলের দুরত্বে সীমাবদ্ধ সুফিয়ার বন্দী জীবন

সিরাজুল ইসলাম / ১৪১ Time View
Update : সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সিরাজুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টারঃ
জন্মের পর স্বাভাবিক জীবন ছিল সুফিয়া খাতুনের। শৈশব,কৈশর কেটেছে দুরন্তপনায়।দশ বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন সুফিয়া খাতুন। ২২ বছরের এই তরুনীর ছুটে চলার গন্ডি সীমাহীন হওয়ার কথা,কিন্তু তার জীবনের গতি শেকলের দুরুত্বে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করানো যাচ্ছেনা। তাকে নিয়ন্ত্রন করতে শেকলে বেঁধেই রাখছে পরিবার। সুফিয়া খাতুনের বাড়ী ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ১ নং গেদুড়া ইউনিয়নের( ইউপি) খিরাইচন্ডি গ্রামের মৃত বিশারত আলীর ছোট কন্যা।তিনি ২০ বছর পুর্বে মারা যান।তাই বিধবা মা, মেয়ের দেখা শোনা করেন।বিধবা মায়ের আয় রোজগার না থাকায় পরিবারের ভোরন পোষন মেটাতে হিমশিম খাওয়া মায়ের,ভারসাম্যহীন মেয়ের চিকিৎসা খরচ মেটাতে পারছেন না।ফলে দশ বছর ধরে মেয়েকে শেকলে বেধে রেখেছেন তিনি।টিনের একটি আধাপাকা ভাংগা চোরা ঘরে সুফিয়া খাতুনের পায়ে লোহার শিকল দিয়ে বেধে রাখা হয়েছে। দশ বছর ধরে ওই ঘরের ভিতর কখনো দাড়িয়ে আবার কখনো বা শুয়ে বসে সময় কাটে তাঁর। শেকলের আয়তনে তাঁর জীবনের পরিসীমা। ছোটাছুটির চেষ্টা আর ব্যর্থ হয়ে চিৎকার করে বাড়ী মাতিয়ে রাখেন সুফিয়া। অর্থ কষ্টে সন্তানের এমন অসহনীয় জীবন যাপনে নিরুপায় হয়ে পড়েছে এই অসহায় বিধবা মা।এই বিধবা মা বলেন,’আমার দুই ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে মেয়েটা সব থেকে ছোট ।দশ বছর আগে হঠাৎ করে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন সে।অভাবের সংসারে যা কিছু ছিল,সব বিক্রি করে ওর চিকিৎসার পেছনে ব্যয় করেছি।কিন্তু‌ কিছুতেই সফল হয় নি।তাকে নিয়ন্ত্রন করা যায় না।এ জন্য দশ বছর ধরে শেকলে বেধে রাখা হয়েছে।’এই বিধবা মা আরো বলেন,’এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না। আমিই একমাত্র উপার্জন কারী।বসত বাড়ী ও কিছু আবাদী জমি ছাড়া আর কিছু নাই।জমি গুলো ২ ছেলে চাষাবাদ করে কোনো রকমে দিনাতিপাত করছেন।আর এ দিকে চিকিৎসার অভাবে মেয়েটা চোখের সামনে ধুকে ধুকে শেষ হয়ে যাচ্ছে।’সমাজের সামর্থ্যবানদের সহযোগীতা কামনা করেন সুফিয়ার মা।১ নং গেদুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম বলেন,’সুফিয়ার সুচিকিৎসা প্রয়োজন।গত ৫ সেপ্টম্বর হরিপুর উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের অফিস সহকারী দুলাল বাবুর কাছে ওষুধ ক্রয়ের জন্য আবেদন জমা করা হয়েছে।তিনি মাস খানেকের মধ্যে সহযোগিতা পাওয়ার আস্বাস দিয়েছেন।কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে, বিকাশ নং ০১৭১০২৬৯৫২২ (মা),০১৭৮৮১৮৯৩৮২। (sent with love effect)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/