মো. শামীম হোসাইন: জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ভয়েস অব আমেরিকার সাবেক সাংবাদিক আমির খসরু আর নেই। গতকাল শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পিরোজপুরের সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমির খসরুর বাড়ি পিরোজপুর শহরের সিআইপাড়া এলাকায়। তিনি পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল হালিমের জ্যেষ্ঠ সন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর আমির খসরুকে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আমির খসরু দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকায় সাংবাদিকতা করেছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল তার। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা পেশায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে একজন অভিজ্ঞ ও গুণী সাংবাদিককে হারানোর শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতা পেশায় আমির খসরুর দীর্ঘদিনের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজের মাধ্যমে তিনি দেশের সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে সাংবাদিকতা অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তার লেখনী বরাবরই গণতন্ত্র, সত্য ও যুক্তির পক্ষে সোচ্চার ছিল।
প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এ কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
https://slotbet.online/