• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিরলে শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষ্যে উপহার সমগ্রী বিতরণ করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা সাজ্জিদ আহমেদ কাজল ‎ ঝিনাইদহে এনজিও থেকে ৬ লাখ টাকা ঋণের প্রলোভনে ১০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে দেবিদ্বারে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক অবৈধ দোকান পরিবেশবান্ধব নির্মাণে রিহ্যাবকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ তথ্য প্রতিমন্ত্রী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমির খসরু আর নেই, প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ ২ লাখ টাকা জরিমানা, তবু সরেনি বালু: তিতাসের তীর উদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন সাংবাদিক শাহাদাত কামাল শাকিলকে আপনজন সম্মাননা’ প্রদান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

২ লাখ টাকা জরিমানা, তবু সরেনি বালু: তিতাসের তীর উদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: / ৪৫ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তিতাস নদীর তীর ভরাটের ঘটনায় দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বালু অপসারণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঁধে দেওয়া ১৫ দিনের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ভরাট করা বালু আগের অবস্থায় পড়ে থাকায় নদীর তীর পুনরুদ্ধার এবং প্রশাসনের নির্দেশ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গত ৬ সেপ্টেম্বর নবীনগর সদর এলাকায় তিতাস নদীর তীর ভরাটের অভিযোগে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল ইসলাম। এ সময় আহমদ প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ ফরিদ মিয়াকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হলেও ভরাটে ব্যবহৃত বালু ১৫ দিনের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও নদীর তীর থেকে বালু অপসারণ করা হয়নি। ফলে জরিমানা ও বালু সরানোর নির্দেশের পরও নদীর ভরাট করা অংশ আগের অবস্থায় রয়ে গেছে। এতে প্রশাসনের নির্দেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের পর জরিমানার অর্থ আদায় হলেও বালু অপসারণের নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, শুধু অর্থদণ্ড আদায় করলেই নদীর তীর ভরাটের সমস্যার সমাধান হবে না, ভরাট করা বালু সরিয়ে নদীর জায়গা পুনরুদ্ধার করাও জরুরি।
এদিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বালু অপসারণ না করার পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা রয়েছে কি না, তা নিয়েও স্থানীয়দের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। তবে এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নদীর তীর ভরাটের ঘটনায় প্রশাসন যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যথায় নদী রক্ষায় নেওয়া অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে জনমনে সংশয় থেকে যাবে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে ভরাট করা বালু অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশ পালন না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় এনে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিতাস নদীর তীর পুনরুদ্ধারে প্রশাসন এখন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/