• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ঝিনাইদহে অফিস সহকারীকে পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে পরিবর্তনের অভিযোগ, নিয়োগ বাণিজ্যেরও অভিযোগ

আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন : / ১৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালুহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন অফিস সহকারী (এমএলএসএস) নিজ পদ থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং একই পদে আরেকজনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

আবেদনকারী মো. মশিয়ার রহমান জানান, তিনি ২০০১ সালে বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (দপ্তরী) হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২০ সালে অফিস সহকারী পদে এমপিওভুক্ত হন এবং ওই পদেই বেতন-ভাতা পেয়ে আসছেন।

লিখিত আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, ২০২২ সালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন তার পদে অন্য একজনকে নিয়োগ দেন এবং তাকে পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে পরিবর্তনের জন্য সফটওয়্যার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসেও রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মো. মশিয়ার রহমান বলেন, “আমি দীর্ঘদিন অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এমপিওভুক্ত হওয়ার পর নিয়মিত বেতন-ভাতা পেয়েছি কিন্তু এখন আমাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমার পদে অন্য একজনকে বসানো হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।

এদিকে স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, একই অফিস সহকারী পদে রত্না খাতুন নামে আরেকজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই নিয়োগের জন্য প্রায় ৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর গত চার বছরে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীর আরও দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রধান শিক্ষক তার প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িয়েছেন।

এ ঘটনায় নিজেকে অন্যায় ও অবিচারের শিকার দাবি করে মশিয়ার রহমান জেলা জেলা শিক্ষা অফিসার কাছে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অফিস সহকারী পদে বহাল রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কালুহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/