• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

৯৭ লাখ টাকার সেতুর সংযোগ সড়ক ধস: নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

মোঃ কামরুল হাসান লিটন স্টাফ রিপোর্টার (ময়মনসিংহ) / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

মোঃ কামরুল হাসান লিটন স্টাফ রিপোর্টার (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর ওপর প্রায় ৯৭ লাখ ৩৮ হাজার ৫৩০ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার সেতুর এক পাশের সংযোগ সড়ক ধসে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার ও নির্মাণকাজে অনিয়মের কারণেই বর্ষার শুরুতেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর এক পাশের অ্যাপ্রোচ সড়কের বড় অংশ নদীগর্ভে ধসে গেছে। ইটের সলিং ভেঙে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সংযোগ সড়কটি চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

এ বিষয়ে বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও উপসহকারী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, “সংযোগ সড়কে বালু ভরাট করার কোনো সুযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী সেখানে মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে এবং দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করতে হবে।”

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলাল উদ্দীন বলেন, “এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না। প্রকৌশলী সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আমীন পাপ্পা জানান, “বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য পিআইওকে পাঠানো হবে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অন্যদিকে, কাজের ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম বলেন, “সেতুটি ভাঙেনি, শুধু সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্ষা শেষ হলে এটি মেরামত করে দেওয়া হবে। এখন বর্ষার মধ্যে কাজ করা সম্ভব নয়।”

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর সংযোগ সড়ক যদি অল্প সময়েই ধসে পড়ে, তাহলে নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না কেন? তারা অভিযোগ করেন, জনগণের করের টাকায় উন্নয়নের নামে যদি নিম্নমানের কাজ করা হয়, তবে তার দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকেই।

এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/