• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জিয়ানগরের কোনো বিদ্যালয় পেল না মেরামত বরাদ্দ, বিএনপি নেতাদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ / ৮৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মেরামত ও সংস্কার বরাদ্দের তালিকায় স্থান না পাওয়ায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

গত ৬ মে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ-রাজস্ব) সেলিনা আখতার স্বাক্ষরিত এক চিঠির ভিত্তিতে ১৫ জুন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বরাদ্দপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা অনুযায়ী, সারাদেশে ৪ হাজার ৪৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মেরামত ও সংস্কারের জন্য দেড় লাখ টাকা করে মোট ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ব্যয় করে সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার ৩৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ বরাদ্দের আওতায় এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর জেলার ৫৯টি বিদ্যালয় দেড় লাখ টাকা করে বরাদ্দ পেলেও জিয়ানগর উপজেলার ৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটিও তালিকাভুক্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে জিয়ানগর উপজেলা গঠন করা হয়। পরে ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার উপজেলার নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী রাখে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আবারও জিয়ানগর নাম পুনর্বহাল করা হয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল, দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে উপজেলায় নতুন করে উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার হবে। কিন্তু সর্বশেষ বিদ্যালয় মেরামত বরাদ্দেও কোনো প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় হতাশা আরও বেড়েছে।

জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ বলেন, “উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থানীয়ভাবে কোনো সমন্বয় নেই। কেন একটি বিদ্যালয়ও তালিকায় আসেনি, তা তদন্ত করে দেখা উচিত।”

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিএনপি আমলে জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত একটি উপজেলার কোনো বিদ্যালয়ই কীভাবে বরাদ্দ পেল না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।” তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান।

জিয়ানগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরুল আমীন বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব।”

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বক্তিয়ার রহমান জানান, বিদ্যালয়ের তালিকা কীভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে সে বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের কাছে কোনো তথ্য নেই এবং এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল না।

অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ-রাজস্ব) সেলিনা আখতার বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, “স্থানীয় পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জিয়ানগর উপজেলা থেকে কোনো বিদ্যালয়ের তথ্য পাঠানো হয়নি। ফলে সেখানকার কোনো বিদ্যালয় তালিকাভুক্ত হয়নি।” তবে তিনি আগামী অর্থবছরে জিয়ানগর উপজেলার বিদ্যালয়গুলোকে বরাদ্দের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/