কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত আংশিক আহ্বায়ক কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের ব্যস্ততম গৌরাঙ্গ বাজার মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন পদবঞ্চিত ও বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা-কর্মীরা।
অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন গৌরাঙ্গ বাজারের তিন রাস্তার মোড়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর নেতা-কর্মীরা রাস্তা ছেড়ে দিলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই কমিটি কোনো নিয়ম মেনে করা হয়নি বরং ‘সিন্ডিকেটের’ মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলমের বিরুদ্ধে একক আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ তুলে স্লোগান দেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ত্যাগীদের বাদ দিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন:
হুমায়ুন কবির (সাবেক সহসভাপতি, জেলা ছাত্রদল)
ইয়াসিন আরাফাত (সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রদল)রিয়াদ আহমেদ (সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, গুরুদয়াল কলেজ ছাত্রদল) সানি আহমেদ খান ও মোহাম্মদ পাভেল হাসানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আমরা এই অবৈধ কমিটি মানি না। জেলা বিএনপির সভাপতির ইচ্ছায় এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে আমাদের আবেদন, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে নতুন সিদ্ধান্ত নিন। অন্যথায় আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হবো।”
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১৫ মে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হলেও মাত্র ২১ দিনের মাথায় ৪ জুন তা বাতিল করা হয়। দীর্ঘ ১১ মাস কোনো কমিটি না থাকার পর চলতি মাসের ২ তারিখে পুনরায় পাঁচ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় ছাত্রদলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করেছে।
https://slotbet.online/