• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

মাধবপুরে ভিজিএফ চাল চুরির প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ

মোঃ নজরুল ইসলাম খান, স্টাফ রিপোর্টার: / ৭১ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

মোঃ নজরুল ইসলাম খান, স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দের ভিজিএফ চাল চুরির প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন লোক হামলার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে মাধবপুর উপজেলার ৩নং বহরা ইউনিয়ন পরিষদে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী লোকের নাম সুহেল মিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরকারি ভিজিএফ চাল পাচারের সময় সুহেল মিয়া বাধা প্রদান করেন এবং চালগুলো আটকে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান -৩ এবং ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ফরিদ মিয়া সুহেলকে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে নিয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, ফরিদ মিয়া গ্রাম পুলিশকে সাথে নিয়ে সুহেল মিয়াকে মারধর করছেন।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ঘটনাস্থলে ট্যাগ অফিসার ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও তারা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কোন কার্যকর ভূমিকা পালন না করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। চাল পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগের প্রতিবাদ করায় একজন নাগরিককে এভাবে হেনস্তা করার ঘটনায় এলাকায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদ মিয়া জানান, সুহেল মিয়া অসংলগ্ন আচরণ করেন এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেন। তাই তাকে কিছুটা শাসন করা হয়েছে। তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন, অভিযোগ যাই হোক না কেন, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে নিয়ে এভাবে মারধর করার অধিকার জনপ্রতিনিধির আছে কি না। এই ঘটনায় প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসী মনে করেন সঠিক তদন্ত করে অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/