• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

অবহেলা আর ট্রেন সংকটে অস্তিত্ব হারাচ্ছে নান্দাইল রোড ও মুশুল্লী রেলস্টেশন

মোঃ কামরুল হাসান লিটন স্টাফ রিপোর্টার (ময়মনসিংহ) / ২৮ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ কামরুল হাসান লিটন: স্টাফ রিপোর্টার ( ময়মনসিংহ) – ময়মনসিংহ–ভৈরব রেলপথে অবস্থিত ঐতিহাসিক নান্দাইল উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন নান্দাইল রোড রেলস্টেশন বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। একই রুটের পাশ্ববর্তী মুশুল্লী রেলস্টেশন কয়েক বছর ধরে বন্ধ থাকায় কার্যত বিলীন হওয়ার পথে। জনবল সংকট, দীর্ঘদিনের অবহেলা এবং ট্রেন স্টপেজ কমে যাওয়ায় এক সময়ের ব্যস্ততম এই দুই স্টেশনের কার্যক্রম এখন চরমভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত স্টেশন দুটিতে দীর্ঘদিন বড় ধরনের কোনো উন্নয়ন হয়নি। নান্দাইল রোড স্টেশনে একটি শেডবিহীন পাকা প্ল্যাটফর্ম ও একটি সিগন্যাল বক্স থাকলেও যাত্রীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত বিশ্রামাগার কিংবা নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা। জরাজীর্ণ অবকাঠামোর মধ্যেই চলছে দৈনন্দিন কার্যক্রম।

একসময় নান্দাইল, তাড়াইল ও কেন্দুয়া উপজেলার হাজারো মানুষ স্বল্প খরচে ও নিরাপদ যাতায়াতের জন্য এই রেলপথ ব্যবহার করতেন। দিনে-রাতে আপ-ডাউন মিলিয়ে প্রায় ১০টি ট্রেন চলাচল করত এবং প্রতিটি ট্রেনই নান্দাইল রোড ও মুশুল্লী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিত। যাত্রীদের পদচারণায় মুখর থাকত স্টেশন চত্বর।

বর্তমানে নান্দাইল রোড স্টেশনে কেবল একটি মেইল ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে থামে। আন্তঃনগর ট্রেনের কোনো স্টপেজ না থাকায় যাত্রীরা পড়ছেন চরম দুর্ভোগে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি ট্রেনের জন্য সারাদিন অপেক্ষা করতে হয়, যা সময় ও কর্মঘণ্টার বড় ক্ষতি করছে।

ট্রেনযাত্রী আব্দুল মোমেন ও এনামুল মিয়া বলেন, “ট্রেন গরিবের গাড়ি। অল্প খরচে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা রেলপথ। কিন্তু একটি ট্রেনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।” তারা ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর জোর দাবি জানান।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন ভূইয়া জানান, সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালু এবং লোকাল ট্রেন বৃদ্ধি করলে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।
নান্দাইল রোড স্টেশনের দায়িত্বে থাকা স্টেশন মাস্টার ইমাম হোসেন (অতিরিক্ত দায়িত্বে) বলেন, যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় ট্রেন বাড়ানো এবং রেলযোগাযোগ আধুনিকায়নের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত রেলপথের উন্নয়ন ও পর্যাপ্ত ট্রেন চালুর উদ্যোগ না নিলে ঐতিহ্যবাহী নান্দাইল রোড রেলস্টেশনও বন্ধের পথে এগিয়ে যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/