• বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১৭ বছরের বঞ্চনার কথা তুলে ধরে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি মাসুদ সাঈদীর সখীপুর প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিরাপদ ঈদ যাত্রা ও শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপন নিশ্চিতকল্পে সারা দেশে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনা হরিপুরে, গোবিন্দপুর আল-ফালাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে অসহায় দুস্তদের মাঝে ঈদের সামগ্রী বিতরণ দি সানরাইজ স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মহেশপুরে ট্রাকচাপায় নারী নিহত, আহত ছেলে; চালক পলাতক প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতকড়া পরে বাবার জানাজায় ছেলে হলিধানীতে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় নিভে গেলো এক নিষ্পাপ প্রাণের আলো। সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় জোর পূর্বক ভিজিএফ কার্ড নেওয়ার চেষ্টা! অবসরে গেলেন র‍্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এবং এসবির অতিরিক্ত আইজি মোঃ গোলাম রসুল

হবিগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষ এর গণজাগরণ

মোঃ নজরুল ইসলাম খান, / ৬৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে ব্যাপক গণজাগরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর নির্বাচনের প্রত্যাশায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ আসনের গ্রাম, হাটবাজার, চা-বাগান ও পৌর এলাকায় নেতাকর্মীরা খুবই সরব।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। সেই ক্ষোভ ও বঞ্চনার অনুভূতি এখনও মানুষের মনে রয়েছে। এবারের নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ মিলবে—এমন প্রত্যাশা থেকেই সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন।

হবিগঞ্জ–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মো. ফয়সল।
মাধবপুর ও চুনারুঘাট—এ দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে রয়েছে ২১টি ইউনিয়ন, ২টি পৌরসভা এবং ২৩টি চা-বাগান। চা-শ্রমিক, কৃষক, ব্যবসায়ী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাস এই এলাকায়। নির্বাচনি মাঠে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে তারা তৃণমূল পর্যায়ে ধারাবাহিক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা, ছোটসভা, পথসভা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে।

নেতাকর্মীদের বক্তব্য, তাদের লক্ষ্য একটাই—ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এ আসনে ১০ দশ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন জামায়াত জোটের খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের। এছাড়া ইসলামী ফন্টের মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীসহ ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটারদের বিশ্লেষণে এখন পর্যন্ত ভোটের মাঠে সৈয়দ মো. ফয়সল অপ্রতিরোধ্য।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল বলেন, বিগত সরকারের আমলে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বিএনপি একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন ও জনপ্রিয় প্রার্থী পেয়েছে। সৈয়দ মো. ফয়সলকে ঘিরে মাধবপুর–চুনারুঘাট জুড়ে যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, তা এই এলাকার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

চা-শ্রমিকদের মধ্যেও ধানের শীষের প্রতি সমর্থন বাড়ছে বলে জানান চা-শ্রমিক নেতা মতিলাল সাঁওতাল। তিনি বলেন, আমাদের এলাকার উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার রক্ষার জন্য সৈয়দ ফয়সলের কোনো বিকল্প নেই। তিনি চাঁদাবাজি বা দখলবাজির রাজনীতি পছন্দ করেন না। চা-বাগানের শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণ জীবন ও কাজের পরিবেশ চায়। তাই চা-শ্রমিকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও তাকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ বলেন, এ নির্বাচন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন পর মানুষ আশাবাদী হয়েছে। নেতাকর্মীরা মাঠে আছে, সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসছে। আমরা বিশ্বাস করি, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে।

জগদীশপুর ইউনিয়নের ভোটার বাবুল রায় বলেন, আমি একজন সাধারণ ভোটার। আগের নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি। এবার ভোট দিতে পারব—এই আশাতেই আনন্দ লাগছে। এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও শান্তির জন্য যিনি কাজ করবেন, তাকেই ভোট দেব। সৈয়দ ফয়সলের ব্যক্তিগত সততা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে আমরা তার দিকে ঝুঁকেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/