• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

ফ্যাসিস্ট সরকারের ভূমিদস্যু সাত্তার ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার — ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জমির মালিকপক্ষের

বিশেষ প্রতিনিধি: / ৭১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

মোহাম্মদপুরে সরকারি জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন শ্যামলী আইডিয়াল স্কুলের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক। তবে জমির প্রকৃত মালিকপক্ষ দাবি করেছে—এটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত ভূমিদস্যুতা এবং সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার।

অভিযোগকারী খালেদ আলম শিপু—বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ মরহুম শাহে আলমের ছেলে এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ১৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী—বলেন,
এই জমি মূলত বিএনপি নেতা শাহে আলম সাহেব তার স্ত্রীর নামে ক্রয় করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর জমিটি আইনানুগভাবে ওয়ারিশদের প্রাপ্য হলেও, রাজনৈতিক চাপ ও নানা কৌশলে তাদের জমি দখল করে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান,
সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী এই স্থানে থানা ভবন নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জমির আইনি জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতা থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার এবং পিডব্লিউডি’র ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সামদানীসহ কয়েকজন মিলে এই জমি অবৈধভাবে দখল করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রভাব খাটিয়ে থানা প্রকল্পটি এই জমির ওপর চাপিয়ে দেওয়া।

অভিযোগকারী দাবি করেন,
“একদিকে সরকারি জমি হিসেবে দেখানো হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যক্তিগতভাবে দখল করে ভবন তোলা হয়েছে। এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা ব্যবহার করে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এমনকি আশপাশের প্রকৃত মালিকদের জমিও থানার নামে দেখিয়ে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।”

এদিকে এম এ সাত্তার পক্ষ দাবি করেছে—
জমিটি সরকারি এবং আইন অনুযায়ী কোনো অনিয়ম করা হয়নি। তবে এই দাবি মানতে নারাজ মালিকপক্ষ।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যেও ক্ষোভ দেখা গেছে। বহুদিন ধরে এই জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চললেও সাম্প্রতিক দখল ও নির্মাণ কাজ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/