দিনাজপুরের বিরলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারপিটে মমিনুল ইসলাম মান্নান আহত হয়ে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ব্যাপারে বিরল থানায় অঅভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উপজেলার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের মোঃ মমিনুল ইসলাম মান্নান এর স্ত্রী মোছাঃ লাইলিমা খাতুন (৪৮) জানান, উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের মৃত লোকমান এর ছেলে মোঃ দুলাল হোসেন (৫০), ফতেপুর গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মোঃ মোকারম হোসেন বাবু (৪০) , বামনগাঁও গ্রামের মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম এর ছেলে মোঃ আলতাফ হোসেন (৩২), মৃত করণতুল্লাহ এর ছেলে মোঃ কায়সার আলী (৫৫), দ্বীপনগর গ্রামের মোঃ শরীফ এর ছেলে মোঃ জাহিদুর রহমান (৩২), মৃত করণতুল্লাহ এর ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০)সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন গত ৯ অক্টোবর-২০২৫ বৃহস্পতিবার বিকাল আনুমানিক ৪ টায় আমার স্বামী মোঃ মমিনুল ইসলাম মান্নান (৫৫) নিজস্ব বাইসাইকেলযোগে ফতেপুর তালপট্টির মোড়ে আমাদের দোকানে যাওয়ার পথে তালপট্টির মোড়ে আমাদের সার কীটনাশকের দোকানের সামনে পাকা রাস্তায় পৌঁছা মাত্রই পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উপরোক্ত প্রতিপক্ষগণসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন পরস্পর যোগসাজসে একই উদ্দেশ্যে বেআইনী জনতায দলবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠিসোঠা, লোহার রড, ধারালো ছোরা ইত্যাদি নিয়ে আমার স্বামীকে আটক করে। ঐ সময় আমি আমাদের দোকানে ছিলাম। তখন মোঃ মোকারম হেসেন বাবু এর হুকুমে মোঃ দুলাল হোসেন তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমার স্বামীর ডান পায়ে আঘাত করে পায়ের হাড় ভেঙ্গে দেয় ফলে আমার স্বামী তাঁর ডান পায়ে হাড়ভাঙ্গা গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয়। ঐ সময় আমার স্বামী রাস্তায় পড়ে গেলে সকল প্রতিপক্ষগণ যে যারমত লাঠি ও লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার স্বামীকে এলোপাথারীভাবে মারপিট করে। মোকারম হোসেন বাবু লাঠি দিয়ে আমার স্বামীকে ইত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। আলতাফ হোসেন তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমার স্বামীর বাম পায়ে আঘাত করে জখম করে। কায়ছার আলী লাঠি দিয়ে আমার স্বামীর বাম হাতে আঘাত করে কালশিরা ফোলা জখম করে। জাহিদুর ও শশহিদুলদ্বয় লাঠি দিয়ে আমার স্বামীকে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা প্রতিপক্ষগণ আমার স্বামীকে এলোপাতাড়ীভাবে কিলঘুষি মারে। আমার স্বামীর ডাকচিৎকারে আমি দোকান থেকে বের হয়ে আমার স্বামীকে রক্ষার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষগণ আমাকেও এলোপাতাড়ীভাবে কিলঘুষি মারে ও মোকারম হোসেন বাবু অসৎ উদ্দেশ্যে আমার পরিহিত কাপড় ধরে টানাটানি করে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। ঐ সময় প্রতিপক্ষগণ আমাকে ও আমার স্বামীকে হত্যার হুমকীসহ বিভিন্নরকম ভয়ভীতির হুমকী প্রদান করতে থাকে। আমার স্বামীকে আহত অবস্থায় অটোযোগে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে আমার স্বামী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাই তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগী পরিবার।
https://slotbet.online/